প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর যানজট নিরসন ও গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আধুনিক কাউন্টার, যাত্রী ওঠানামার সুবিধা, পার্কিং শেড, ওয়াকওয়ে, উন্নত ড্রেনেজ এবং যাত্রীদের বসার ব্যবস্থা সহ এসি বাসের জন্য এই টার্মিনালটি আধুনিকীকরণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সড়ক ও বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এসি বাসের কাউন্টারগুলোর কারণে সৃষ্ট যানজট কমানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের আধুনিকায়ন ও নতুন নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এবং বাস মালিক সমিতির সঙ্গে পর্যালোচনা করে এই নকশাটি প্রস্তুত করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নগর ভবনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে ‘সায়েদাবাদ এসি বাস টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ে এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে এসি বাসের সার্ভিসিং, যাত্রী ওঠানামা এবং কাউন্টার ব্যবস্থাপনার জন্য অতিরিক্ত জায়গা নির্ধারণ করা হবে। টার্মিনালের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন আনা হবে। সভায় ডিএসসিসি প্রশাসক দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব কাজ বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।
সভায় জানানো হয়, প্রচলিত টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কাজ বাস্তবায়নে তুলনামূলক বেশি সময় লাগতে পারে। তাই দ্রুত কাজ শেষ করতে বাস মালিক সমিতি স্বল্প সময়ে বাস্তবায়নযোগ্য একটি প্রস্তাবনা তৈরি করে দাখিল করবে। এর ভিত্তিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সভায় সায়েদাবাদ টার্মিনালের যাত্রীসেবা উন্নয়নে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে টার্মিনালের অভ্যন্তরে পুরনো মোটর গ্যারেজের জায়গায় নির্মাণাধীন ভবন সম্প্রসারণ করে সেখানে এসি বাসের কাউন্টার স্থাপনের উপযোগী করা।
এ ছাড়া এসি বাস কাউন্টারের প্রবেশপথ প্রশস্ত করা হবে। যাত্রীদের সুবিধার্থে সেখানে পার্কিং শেড এবং নির্বিঘ্ন চলাচলের জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে।
খুলনা বিভাগীয় কাউন্টার শেডের দক্ষিণ পাশে একই ধরনের আরো একটি নতুন কাউন্টার শেড নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্ষাকালে বিভিন্ন কাউন্টার শেডে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের সমস্যা সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টার্মিনালের অভ্যন্তরে ড্রেনেজ ব্যবস্থারও উন্নয়ন করা হবে। পাশাপাশি যাত্রীদের বিশ্রামের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক বেঞ্চ স্থাপন করা হবে।
ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এসব উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন হলে সায়দাবাদ বাস টার্মিনালের ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরবে। একই সঙ্গে সড়কে ছড়িয়ে থাকা বাস কাউন্টার কমানো সম্ভব হলে রাজধানীর যানজট ও যাত্রীদের ভোগান্তিও অনেকাংশে কমে আসবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন