প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সুদমুক্ত ঋণে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় অর্ধেকে নামিয়ে আনার প্রস্তাব ঘিরে প্রশাসনে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অর্থ বিভাগের জারি করা একটি পত্রের এখতিয়ার নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রশ্ন তুলেছেন।
মূল বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বৈঠকে বসছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
জানা গেছে, গত ৯ জুলাই অর্থ বিভাগ থেকে জারি করা এক পত্রে সুদমুক্ত ঋণে কেনা গাড়ির মাসিক রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ৫০ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়িসংক্রান্ত নীতিমালা, আদেশ বা নির্দেশনা জারির দায়িত্ব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের। এই বিবেচনায় অর্থ বিভাগের এমন পত্র জারির বৈধতা ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অর্থ বিভাগের পত্রে একাধিক স্থানে ‘প্রধানমন্ত্রী’ পদবি ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিয়েও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে আলোচনা চলছে।
প্রাধিকারপ্রাপ্ত বিভিন্ন গ্রেডের কর্মকর্তাদের মতে, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে তারা একই বেতন কাঠামোর আওতায় দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের মতে, এই অবস্থায় বিদ্যমান সুবিধা কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত যথেষ্ট গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের ভাষ্য, সরকারি কোনো আর্থিক সুবিধা একবার চালু হয়ে গেলে তা কমিয়ে আনার নজির অতীতে খুব একটা নেই।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়িসংক্রান্ত যাবতীয় আদেশ-নির্দেশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকেই জারি করা হয়ে থাকে। অর্থ বিভাগ তাদের মতামত দিয়ে একটি পত্র জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। এ ধরনের নির্দেশনা জারির এখতিয়ার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আজ বৈঠক হবে। সেখানে অর্থ বিভাগের মতামতসহ সার্বিক বিষয়টি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরে সেই সিদ্ধান্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও সিনিয়র সচিবকে অবহিত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় মতামত অর্থ বিভাগে পাঠানো হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন