প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন গতকাল সোমবার তুরাগ ও বালু নদীর বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। এ সময় নদী পাড়ের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষরা এমপি’কে কাছে পেয়ে নদী দূষণ, অবৈধ স্থাপনা, দখল ও নদী ভাঙনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, তুরাগ ও বালু নদীর দুই তীরে বিভিন্ন স্থানে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। শিল্পবর্জ্য এবং গৃহস্থালির বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা হচ্ছে, যার ফলে পানি দূষিত হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে নদী ভাঙনে বসতবাড়ি ও কৃষি জমি হুমকির মুখে পড়েছে।
এ সময় সংসদ সদস্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ঢাকার চারপাশের বৃত্তাকার নদীপথ সচলকরণ ও নদী রক্ষার মহাপরিকল্পনার সুফল যেন ঢাকা-১৮ আসনের মানুষও পায়, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে।
পরিকল্পনাটি জাতীয় সংসদে পুনরায় তুলে ধরার পাশাপাশি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করা হবে বলে জানান। দ্রুত নদীর সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর মূল সীমানা স্পষ্ট না থাকায় দখলদাররা সুযোগ নিচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে নদীর সীমানা পুনর্নির্ধারণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং নদীকে দূষণমুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। তারা বলেন, তুরাগ ও বালু নদী রক্ষা করা গেলে ঢাকার বড় একটা অংশের পরিবেশ, যোগাযোগ ও মানুষের জীবিকা-তিনটিই সুরক্ষিত হতে পারে। বৃত্তাকার নদীপথ সচল হলে সড়কের যানজট কমার পাশাপাশি নদীকেন্দ্রিক অর্থনীতিরও বিকাশ ঘটবে, এমন আশা তারা এমপি’র কাছে প্রকাশ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন