বৃহস্পতিবার, ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং
১০:২৩ পি.এম
কুরুচিপূর্ণ ভাষায় কুৎসা রটনাকারীদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য পদক্ষেপ দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, বাক-স্বাধীনতার নামে দেশের ভেতরে ও দেশের বাইরে যারা কুৎসা রটাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইন মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এ বিষয়ে তিনি হুঁশিয়ারি প্রদান করে বলেন, স্বাধীনতার নামে বেহায়াপনার এই কলঙ্কিত প্রবাহকে বেশি দূর এগোতে দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে, বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করছিলেন। সংসদের কার্যক্রমে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
মন্ত্রী বলেন, দেশে কিছু আছে, আবার বিদেশেও কিছু মানুষ সক্রিয় রয়েছে। এখানে আমরা ‘ফ্রিডম অব স্পিচ’ এবং ‘ফ্রিডম অব প্রেস’ নিয়ে আলোচনা করি; যা আমাদের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদেও উল্লেখ রয়েছে। তবে, এটি রাষ্ট্র ও জনশৃঙ্খলার বৃহত্তর স্বার্থে আরোপিত ‘রিজনেবল রেস্ট্রিকশন’ বা যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধের আওতায় রয়েছে।
এ বিষয়ে যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধের ব্যাখ্যা আদালত দিতে পারে। তিনি আইন মন্ত্রণালয় ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীর দিকে আঙুল তুলে বলেন- আমরা কি এই বাধানিষেধগুলো নীতি অনুযায়ী বিধিবদ্ধ আইনে (Enactment) আনতে সক্ষম হব? না হলে পিতার সঙ্গে কন্যাকে যুক্ত করে, এমনকি প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদেরও কুৎসা রটানো হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার নামে এমন কলঙ্কিত प्रवাহকে এগোতে দেওয়া অসম্ভব।
মন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বাকস্বাধীনতা উল্লেখিত হলেও, তা অবাধ বা সীমাহীন নয়। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে যেভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা আমাদের সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতিকে বিপর্যস্ত করছে। গালিগালাজের এই প্রতিযোগিতায় যারা অংশ নিতে চান, তাদের কঠোর বাধানিষেধের আওতায় আনা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের ম্যান্ডেটকে সম্মান করাই প্রকৃত রাজনীতির পরিচয়। আমরা অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সব সংস্কার ও নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম আমানুল্লাহ বলেন, আগামী বছরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট ৭ মাস কমিয়ে আনা হয়েছে। এ ছাড়া, বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কারিকুলাম পরিবর্তনের কাজ চলমান রয়েছে। যেসব কোর্স পড়লে দেশের বাইরে চাকরি পাওয়া যায়, সেগুলোকে অনার্সের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। শিক্ষকদের গবেষণা ভাতা দেয়া হবে। এছাড়া তিন হাজার শিক্ষার্থীকে জুলাই স্মৃতি পুরস্কার দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে শিক্ষার্থীরা এই পুরস্কার গ্রহণ করবেন। তিনি আরও মন্তব্য করেন, শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনতে হলে শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহের টাউন হলের অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে, ময়মনসিংহ নগরীর বাড়েরা এলাকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম আমানুল্লাহ। উদ্বোধনের ফলে অধিভুক্ত কলেজগুলোর ফি আদায়, সার্টিফিকেট প্রদান, খাতা বন্টনসহ শিক্ষা কার্যক্রমে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে তিনি জানান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক রুকুনোজ্জামান সরকার রোকন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর মোঃ লুৎফর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম, আঞ্চলিক কেন্দ্র সমন্বয় দপ্তরের পরিচালক মোঃ আমিনুল আক্তার, ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এ কে এম শফিকুল ইসলাম, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী এবং আনন্দমোহন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ শাকির হোসেন প্রমুখ। ময়মনসিংহ জেলা ছাড়াও জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা জেলার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সকল কলেজ ও প্রফেশনাল ইনস্টিটিউট এই আঞ্চলিক কেন্দ্র থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবধরণের কাজ সম্পন্ন করতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের মেলান্দহে শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয় ৩০ এপ্রিল বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে। এসবে সভাপতিত্ব করেন ইউএনও জান্নাতুল আরা। সভাটিতে বক্তব্য রাখেন অফিসার ইনচার্জ ওবায়দুর রহমান, স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. আহসান হাবিব, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুকুমার রায়, বণিক সমিতির সভাপতি আনোয়ারুল কাদির, শ্যামল তালুকদার, পৌর বিএনপির সভাপতি এড. মনোয়ার হোসেন হাওলাদার, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি-ইত্তেফাক সংবাদদাতা শাহ জামাল, প্রেস ক্লাবের সভাপতি আজম খান প্রমুখ। সভায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়, বিশেষ করে মদ-জুয়া এবং অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের রিয়াদ শহরে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার মো. রনি মিয়া নামে এক যুবক মারা গেছেন। তিনি গত ২১ এপ্রিল সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। রনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামের মো. আব্দুর রাজ্জাকের সন্তান। বর্তমানে তার মরদেহ সৌদি আরবের আল-হায়াত মেডিকেল হাসপাতালে সংরক্ষিত রয়েছে। , এক সপ্তাহের বেশি সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও নিহতের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার কোন উপায় না পাওয়ায় তার পরিবার হয়ে পড়েছে। গতকাল ২৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার) ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক বরাবর মরদেহ বাংলাদেশে আনার জন্য একটি আবেদন করেছেন নিহতের বড় ভাই মো. মনিরুজ্জামান। নিহত রনির গ্রামের বাড়িতে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন তার বাবা-মা, ভাই-বোন, স্ত্রী-সন্তানরা। তারা দ্রুত এ প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের কাছে আকুতি জানিয়েছেন।
রনির বড় ভাই, প্রভাষক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, তার ছোট ভাই (রনি) গ্রামের বাড়িতে নির্মাণশ্রমিকের কাজ করতেন। এছাড়া কখনও ব্যাটারিচালিত রিকশাও চালাতেন। উন্নত জীবনের স্বপ্ন নিয়ে ২০২৪ সালে ফুড ডেলিভারি কাজে সৌদিতে যান রনি। কিন্তু মাস দুয়েকের মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কারণে তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন। পরে ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে শ্রমিক ভিসায় আবার একই কাজে সৌদিতে যান রনি। দুর্ভাগ্যবশত, ফের তাকে সেই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২১ এপ্রিল সৌদি আরবের রিয়াদে মৃত্যু বরণ করতে হয়।
মনিরুজ্জামান আরও জানান, রনি উন্নত জীবন গঠনের স্বপ্ন দেখতেন। সে কারণে প্রথমবার সৌদি যাওয়ার জন্য তিনি পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা দেন। যাওয়ার কিছু দিনের মধ্যে আহত হয়ে ফেরত আসায় রনি এক টাকাও দিতে পারেননি। পরে আবারও যাওয়ার জন্য পরিবারের সদস্যরা আরও চার লাখ টাকা দেন। বর্তমানে রনির মরদেহ দেশে আনার জন্য যে কোম্পানিতে তিনি কাজ করেছিলেন, তাদের সুপারভাইজারের সঙ্গে এবং যিনি সৌদি থেকে লাশ হস্তান্তরের দায়িত্বে আছেন, তার নাম মো. আফতাব উদ্দিন, তার সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। মৃত্যুর পর প্রিয়জনের লাশের জন্য অপেক্ষা করা কষ্টকর বলে জানান তিনি।
নিহতের বাবা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ছেলের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অনেক কষ্টে তাকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু আজ তার মৃত্যুর খবর শুনতে হলো। আমরা আমাদের ছেলেকে আর জীবিত ফিরে পাব না, তবে তার মরদেহ দেশে এনে নিজের হাতে দাফন করতে চাই। আব্দুর রাজ্জাক তার সন্তানের লাশ শেষবারের মতো দেখতে আকুতি জানান। তিনি বলেন, নিজ জন্মভূমিতে তাকে দাফন করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও ব্যক্তিদের কাছে সাহায্য কামনা করছি। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রকিব বাদশা বলেন, রনির লাশ শেষবারের মতো দেখার জন্য তার মা-বাবা, স্ত্রীর প্রতি এবং দুই সন্তানের প্রতি অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তার মৃত্যুর ফলে পরিবারে এখন অন্ধকার নেমে এসেছে। পরিবার শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। শেরপুর জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. লেহাজ উদ্দিন বলেন, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করা হলে নিহতের মরদেহ দেশে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত করা হতে পারে। এ বিষয়ে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বার্তা পাঠানো হবে।
শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, সৌদি প্রবাসীর মরদেহ দ্রুত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ করবেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রালয়ে। তিনি নিহতের রূহের মাগফিরাত কামনা করে তার পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতারণার শিকার ওমরাহ যাত্রীরা দাবি জানিয়েছেন, দোষী এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।
সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপের কারণে দেশে ফিরে আসতে পেরে তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
ভুক্তভোগী ওমরাহ যাত্রীরা তাদের দাবিগুলো পেশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সেগুনবাগিচাস্থ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব কথা জানান তারা।
এতে অ্যাডভোকেট একরামুল কবীর রোমেল প্রতারণার শিকার যাত্রীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পেশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, "আমরা ৫৫ জনের একটি ওমরাহ যাত্রী দল ‘মাস্ক হজ্জ গ্রুপ’র মাধ্যমে পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য গিয়েছিলাম। কিন্তু শুরু থেকেই নানা বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্যের সম্মুখীন হয়েছিলাম, যা পরবর্তীতে বড় ধরনের প্রতারণায় রূপ নেয়।"
যাত্রীরা উল্লেখ করেছেন যে, তাদের প্রথমে বলা হয়েছিল যে তারা সৌদি এয়ারলাইন্সে ভ্রমণ করবে। কিন্তু বাস্তবে ভিন্ন একটি এয়ারলাইন্সে পাঠানো হয়।
রিটার্ন টিকিট সম্পর্কে যাত্রীরা বারবার জানতে চাইলে, সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধের আগে কোনো টিকিট দেখানো হয়নি। পরে টাকা নেওয়ার পর যে টিকিট দেওয়া হয়, সেটি দেশে ফেরার সময় (ফেক) বলে প্রমাণিত হয়।
নির্ধারিত তারিখের পরিবর্তে তাদের গত রোজার ঈদের দিন যাত্রা করতে বাধ্য করা হয়। সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর শুরু হয় চরম দুর্ভোগ, যেখানে হোটেল ও খাবারের ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত নিম্নমানের।
এবং উদ্বেগজনক বিষয় হলো- তাদের রিটার্ন টিকিট, যা ২ এপ্রিলের বলে জানানো হয়েছিল, সেটিও সম্পূর্ণ ভুয়া প্রমাণিত হয়। ফলে ৫৫ জন যাত্রী তখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে।
বিগত পরিস্থিতির কারণে অনেকেই ছিলেন বয়স্ক নারী, পুরুষ ও শিশু।
যখন ওই সংকটময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তখন তারা ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেন।
এ সময় তারা জানতে পারেন, মন্ত্রী তখন সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। মন্ত্রী বিষয়টি অবগত হওয়ার পর দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং তাদের খাবার-দাবার এবং দেশে ফিরে আসার ব্যবস্থা করেন।
ওমরাহ যাত্রীরা সরকার এবং ধর্মমন্ত্রীর আন্তরিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, "আমরা দোষী মাস্ক হজ গ্রুপের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।"
ওমরাহ হজ ব্যবস্থাপনার উন্নতির জন্য সংবাদ সম্মেলনে নিম্নলিখিত দাবি পেশ করা হয়:
১। ওমরাহ-প্রক্রিয়াকে যথাসম্ভব ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মূল মনিটরিং ব্যবস্থা করা।
২। বিদেশে যাওয়ার আগে যাত্রীদের রিটার্ন টিকিট বাধ্যতামূলকভাবে যাচাই করা।
৩। ইমিগ্রেশন পর্যায়ে ভিসা ও টিকিট পুনরায় যাচাই করা নিশ্চিত করা।
৪। প্রতারণাকারী যে কোনো এজেন্সির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৫। ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণা রোধে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৬। একটি কেন্দ্রীয় অনলাইন পোর্টাল চালু করা, যেখানে যাত্রীরা নিজ নিজ তথ্য যাচাই করতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ