প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টানা কয়েকদিনের অতিভারি বর্ষণের পর বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি পেতে শুরু করেছে। জেলার নিম্নাঞ্চলের পানি নামতে শুরু করেছে। শুক্রবার(১০ জুলাই) বিকালে দেখা গেছে, জেলা শহরের মেম্বারপাড়া, বালাঘাটা, কালাঘাটা, ইসলামপুর, হাফেজঘোনা, ক্যাচিংঘাটাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে।
তবে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে এখনো ক্ষতিগ্রস্তরা অবস্থান করছেন। জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস জানিয়েছেন, সরকারি প্রাথমিকভাবে জেলার বন্যা দুর্গতদের জন্য ৪০০ মেট্রিক টন খাদ্য শস্য বরাদ্দ দিয়েছে। একই সঙ্গে জেলার ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থা নেওয়া বাসিন্দাদের মধ্যে প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও বিজিবির পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হচ্ছে।
এদিকে সকালে সাংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী জেলা সদরের কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত) বান্দরবানের সাঙ্গু অববাহিকায় ১১৫ মিলিমিটার, লামায় মাতামুহুরী অববাহিকায় ১৩৭ দশমিক ৫ মিলিমিটার এবং নাইক্ষ্যংছড়ির বাঁকখালি অববাহিকায় ২০৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
সকাল থেকে থেমে থেমে হালকা বৃষ্টিপাত হওয়ায় সাঙ্গু ও মাতামুহুরী এবং নাইক্ষ্যংছড়ির বাঁকখালি নদীতে পানি কমতে শুরু করেছে। এর ফলে লামা পৌর এলাকার প্রধান বাজার, চেয়ারম্যান পাড়া ও নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন নিচু এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে।
থানচি থেকে সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা গেছে, সেখানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে উপজেলার বলিপাড়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকায় এখনও পানি রয়ে গেছে। বান্দরবান-রোয়াংছড়ি সড়কের ময়নাতলী এলাকায় ডুবে যাওয়া বেইলী ব্রীজ থেকে এখনও পানি নামেনি। অন্যদিকে রুমা উপজেলার কয়েকটি বেইলী ব্রিজ এখনো পানির নিচে থাকায় সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন