প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলার আবহমান গ্রামীণ জীবন, লোকজ ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং পারিবারিক বন্ধনের অনন্য প্রতীক হিসাবে ‘নাইওর’কে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীতে ষষ্ঠ নাইওর উৎসব শুরু হয়েছে। আধুনিকতার যুগের কারণে হারিয়ে যেতে বসা এই গ্রামীণ সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য এই আয়োজন করা হয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চলের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘দখিনের কবিয়াল’র উদ্যোগে শনিবার (৬ জুন) দিনব্যাপী এই উৎসবের আয়োজন করা হয়।
সকালে পটুয়াখালী সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। পরে মোমবাতি প্রজ্বালনের মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে রয়েছে লোকজ সংস্কৃতিনির্ভর নানা অনুষ্ঠান, গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনাসমূহ। অনুষ্ঠানে দেশবরেণ্য কণ্ঠশিল্পী রবি চৌধুরীসহ স্থানীয় শিল্পীরা অংশ নিয়ে তাদের পরিবেশনাগুলি উপস্থাপন করবেন।
অনুষ্ঠানে আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক সেহাংশু সরকার কুট্টির সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, দখিনের কবিয়ালের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসাইন মানিকসহ অন্যান্য অতিথিরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
আয়োজকরা জানান, নাইওর বাংলার লোকজ সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিবাহিত নারীদের বাবার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া এবং তাকে ঘিরে পরিবারের সদস্যদের আনন্দ-উৎসবের ঐতিহ্যটাই আবহমান বাংলায় ‘নাইওর’ নামে পরিচিত।
উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ‘এমন আয়োজন শুধু বিনোদনের নয়, বরং বাঙালির শেকড় ও ঐতিহ্যকে নতুন করে জানার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন