প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ওমানের উপকূলীয় এলাকায় একটি তেলবাহী জাহাজে অগ্নিকাণ্ড হয়েছে, যার ফলে অন্তত দুই নাবিক নিখোঁজ হয়ে গেছেন। দুর্ঘটনাটির জন্য একজন ঘটনার আহত হওয়ার খবরও সামুদ্রিক নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য কার্যক্রম তদারকি সংস্থা (ইউকেএমটিও) অনুযায়ী, ওমানের সোহর বন্দরের প্রায় ৩৭ কিলোমিটার (২০ নটিক্যাল মাইল) উত্তর-পূর্বে থাকা একটি ট্যাংকারের ইঞ্জিন কক্ষে আগুন লাগার সূত্রপাত ঘটে। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে জরুরি উদ্ধার তৎপরতার কাজ শুরু করা হয়।
কিন্তু ইউকেএমটিও শিগগিরই কী কারণে আগুনের ঘটনা ঘটেছে, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য জানায়নি। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে যে, ঘটনার ফলে একজন হতাহতের খবর পাওয়া গেছে, তবে তার পরিচয় বা আঘাতের ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদান করা হয়নি।
অন্যদিকে, অগ্নিকাণ্ডের ফলে দুই ক্রু সদস্যের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের সন্ধানের জন্য অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জাহাজটির পরিস্থিতি এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণের তদন্ত করছে।
এটি এমন এক সময়ে ঘটেছে যখন মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ, হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান বাহিনীর বিরুদ্ধে হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগ সামনে এসেছে।
আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে গ্লোবালভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে হাজার হাজার বাণিজ্যিক জাহাজ আটকে আছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষ থেকেই পাল্টাপাল্টি অবরোধের কারণে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্য ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের অভিমত, হরমুজ প্রণালী বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই অঞ্চলে ঘটনার কারণে সামরিক উত্তেজনা বা নিরাপত্তা সংকট বিশ্বব্যাপী তেলবাজার ও বাণিজ্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।
ওমান উপকূলে সাম্প্রতিক এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার কারণে নতুন নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে ঘটনার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। সূত্র: আল-জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন