প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে, এ তথ্য জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। তিনি আরও বলেন, অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এবং গতি সঞ্চারে এডিপির বড় ভূমিকা রয়েছে।
যদি এটি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়, তবে দেশি এবং বিদেশি নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরি হবে।
এদিন বুধবার (২২ জুলাই) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে একটি ব্রিফিংয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন। সভাটির সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী এবং একনেকের চেয়ারপারসন তারেক রহমান।
সভায় মোট ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয় সংবলিত ৮টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন প্রকল্প রয়েছে ৩টি এবং সংশোধিত প্রকল্প ৫টি।
পরে ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, বেশকিছু প্রকল্পের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি এ কথা বলেন, আইএমইডি’র সাম্প্রতিক রিপোর্ট পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং পিডি (প্রকল্প পরিচালক) নিয়োগের নীতিমালার খসড়া নিয়ে আলোচনাও চলছে।
এই এলাকা সমূহ শেষ হলে একটি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন নির্দেশিকা তৈরি হবে, যা ভবিষ্যতে প্রকল্পগুলো সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় সহায়তা করবে। নতুন সরকারের মেয়াদের অল্প সময়ের মধ্যেও পুরনো কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। তবে আইনি বা নীতিগত পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব নয়; বরং সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি ভালো পরিবেশ তৈরির কাজ চলছে।
রেট শিডিউল বা দর তালিকা পর্যালোচনা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা সংস্থার (যেমন—এলজিইডি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়) আলাদা আলাদা রেট শিডিউল রয়েছে, যা দিয়ে প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে একটি কমিটি গঠিত হয়েছে, যা ইতিমধ্যে একাধিক বৈঠক করেছে।
খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই রেট শিডিউলগুলো পর্যালোচনা করে সাধারণ এবং বিশেষ কাজের জন্য একটি নতুন রেট শিডিউল তৈরি করা হবে, যেন সে অনুযায়ী প্রাক্কলন তৈরি করা সম্ভব হয়।
প্রকল্পে দীর্ঘসূত্রতা ও গাফিলতি প্রসঙ্গে সাকি বলেন, প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতার কারণে বাড়তি অপচয় ঘটে। এর পিছনে মূলত সমন্বয় ও জবাবদিহির অভাব এবং দায়িত্বহীনতা কাজ করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন