প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বগুড়ার কাঁচাবাজারগুলোতে ক্রেতার সংকট দেখা দিয়েছে। টানা বর্ষণের কারণে রাস্তাঘাট জলমগ্ন হয়ে পড়ে, অনেকেই বাজারে যেতে পারছেন না। এর ফলস্বরূপ, ক্রেতা কম থাকায় সবজির বেচাকেনা কমে যাচ্ছে, যা কৃষক, পাইকার ও খুচরা বিক্রেতাদের জন্য একটি বিপদসঙ্কেত।
আরো জানানো হয়েছে, টানা বৃষ্টির কারণে কৃষকরাও মাঠ থেকে সবজি তুলতে বাজারে আনতে পারছেন না। ফলে জেলায় সবজির সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। শহরের বিভিন্ন বাজারে, যেমন রাজাবাজার, ফতেহ আলী বাজার, কলোনি বাজার ও খান্দার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতার সংখ্যা প্রচুর পরিমাণে কম। বিক্রি কমে যাওয়ার ফলে কৃষকরা উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পেতে পারছেন না। ব্যবসায়ীরাও লোকসানের শঙ্কায় রয়েছেন।
বর্তমানে বগুড়ার বাজারে বিভিন্ন সবজি, যেমন বইকচু ও বেগুন ছাড়া, বেশিরভাগ সবজি ২০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। পটল প্রতি কেজি ২০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কাঁকরোল ৪০ টাকা, পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া, রসুন ৮০ টাকা ও আদা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
কৃষকদের অভিযোগ, উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে সবজির দাম কম থাকায় তারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। ক্রেতা কম থাকায় বিক্রেতারাও পণ্য বিক্রি করতে হিমশিম খাচ্ছেন।
বাজারে আসা কিছু ক্রেতা উচ্চারণ করেছেন যে, ক্রেতা কম থাকার ফলে সবজির দাম তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে। তবে এতে কৃষকরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাদের পরিশ্রমে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় তারা লোকসানের মুখে পড়েছেন।
সবজি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, যদি আবহাওয়া স্বাভাবিক হয়, তাহলে বাজারে ক্রেতা বাড়বে এবং বেচাকেনা স্বাভাবিক রূপ ফিরে পাবে।
বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান এসংক্রান্ত বিষয়ে বলেন, যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। এক্ষেত্রে নিত্যপণ্যের বাজার স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন