প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মঙ্গলবার ইউক্রেনের একটি ড্রোন মস্কোর উপকণ্ঠে অবস্থিত একটি বড় তেল শোধনাগারে আঘাত হানলে সেখানে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে এবং স্থাপনাটির ক্ষতি হয়। রুশ কর্তৃপক্ষ এ তথ্যটি জানায়।
অন্যদিকে ইউক্রেন বলেছে, রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযানটির আয়োজন করা হয়েছে। এর একদিন আগে, ইউক্রেন জানায়, রাশিয়া দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ৬ শতাধিক ড্রোনসহ ৭০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এই হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়।
কিয়েভে ইউনেস্কোর তালিকাভুক্ত একটি অর্থোডক্স চার্চের অংশও এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর রয়েছে। মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মস্কোর মেয়র সের্গেই সেমিওনোভিচ সোবিয়ানিন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ম্যাক্স প্ল্যাটফর্মে বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় মস্কোর ওপর শত্রুপক্ষের ড্রোন হামলা অব্যাহত ছিল। একটি ড্রোন মস্কোর একটি তেল শোধনাগার স্থাপনায় আঘাত করেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’
সোবিয়ানিন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার মস্কোর দিকে ছোড়া ৬০টি ড্রোনকে ভূপাতিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস একে চলতি বছরে রুশ রাজধানীকে লক্ষ্য করে চালানো সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, রাজধানীর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কাপোতন্যা এলাকায় অবস্থিত ওই তেল শোধনাগারকে ঘিরে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, জ্বালানি প্রতিষ্ঠান গ্যাজপ্রমের মালিকানাধীন শোধনাগারটি সেখানে অবস্থিত।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, এই হামলার পেছনে কিয়েভই ছিল মূল আপত্তি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘এবার মস্কো অঞ্চল ইউক্রেনের দূরপাল্লার সক্ষমতার নাগাল অনুভব করেছে। ৫০০ কিলোমিটার দূরে থাকা একটি তেল শোধনাগারে আঘাত হানা হয়েছে।’
তিনি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যেখানে দেখা যায়, একটি ড্রোন আবাসিক ভবনের ওপর দিয়ে উড়ে শিল্পাঞ্চলে আঘাত হানে। পরে একটি লাল-সাদা চিমনির পাশে বিস্ফোরণ ঘটে এবং ঘটনাস্থল থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে ছড়িয়ে পড়ে।
জেলেনস্কি বলেন, ‘রাশিয়ার হামলার বিরুদ্ধে এটি ন্যায্য জবাব। সেই সঙ্গে এটি একটি দীর্ঘায়িত যুদ্ধের অবসানেরও আহ্বান।’
২০২২ সালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে রাশিয়া প্রায় প্রতিদিনই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে। এই পরিস্থিতিতে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেন রাশিয়ায় হামলার প্রকৃতি জোরদার করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন