প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে প্রবেশ করার পর একটি গাড়ি দুর্ঘটনার ফলে আটক হয়েছেন ৯ জন বাংলাদেশি অভিবাসী। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা প্রত্যেকে ৫ হাজার রিঙ্গিত (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা) সিন্ডিকেটকে পরিশোধ করেছিলেন মালয়েশিয়ায় প্রবেশের জন্য।
শনিবার (৩০ মে) সকালে ৭টার দিকে মালয়েশিয়ার কেলান্তান রাজ্যের ওয়াফ বারু এলাকায় কাম্পুং তোক মালিক নামক স্থানে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ধাওয়ার মুখে তাদের বহনকারী গাড়িটি স্থানীয় এক বাসিন্দার গাড়িতে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনার পরপরই তাদের সাথে চালকসহ সবাই আটক করা হয়।
মঙ্গলবার (১ জুন) এক বিবৃতিতে টেনিসন ব্রিগেড পিজিএ-এর কমান্ডার, সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার আহমদ রাদজি হুসেন জানান, তদন্তে জানা গেছে যে এই ৯ জন বাংলাদেশি কম্বোডিয়া ভিত্তিক ‘জাহাঙ্গীর আদম’ নামে এক বাংলাদেশি এজেন্টের মাধ্যমে তাদের অবৈধ যাত্রার পরিকল্পনা করেছিলেন।
তারা কম্বোডিয়া থেকে যাত্রা করে মালয়েশিয়ার কেলান্তান রাজ্যের টুম্পাট এলাকায় কাম্পুং কোক কেলির একটি জেটি দিয়ে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেন।
আহমদ রাদজি আরও জানান, নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে ভালো বেতনের কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের কাছ থেকে এই বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। কেলান্তানের বাইরে বিভিন্ন রাজ্যে নির্মাণাধীন সাইটগুলোতে তাদের কাজে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল সিন্ডিকেটের।
আটকদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা, ৪৭ বছর বয়সি আতিয়া নামের এক অভিবাসী বলেন, তিন সন্তানের জনক হিসেবে পরিবারের জন্য খাবার জোগাতে তিনি সহ otros আটজনে কম্বোডিয়া থেকে মালয়েশিয়ায় আসার এই ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন। তারা কম্বোডিয়ার তুলনায় মালয়েশিয়ায় কাজের সুযোগ এবং মজুরি ভালো হওয়ার কারণে এই দালালের খপ্পরে পড়ে।
এদিকে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের সহায়তার অভিযোগে অপর একজন ২১ বছর বয়সী মালয়েশিয়ার নাগরিক গাড়িচালককেও আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য আটক ১০ জনকে পুলিশ ও ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন