প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এলাকার সংসদ সদস্যরা (এমপি) নিজেদের উন্নয়ন জাহির করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার (প্রশিক্ষণ কেন্দ্র) তৈরি করলেও, সেগুলোতে কোনো শিক্ষক কিংবা শিক্ষার্থী নেই বলেই মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। এর ফলে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির জন্য বরাদ্দকৃত তহবিল বা অর্থ কোনো কাজে আসছে না এবং কার্যকারিতা হারাচ্ছে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে শিক্ষা ও কর্মসংস্থান বিষয়ক আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-জাপান ডায়ালগ’-এ অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে, প্রতিমন্ত্রী দেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভ্যন্তরীণ সেবা খাতের নানা সীমাবদ্ধতার বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে এমন চারটি ট্রেনিং সেন্টার আছে, যেখানে শিক্ষক ছাড়াও ছাত্রও নেই। এগুলো মূলত এলাকার এমপিরা তাদের উন্নয়ন প্রদর্শনের জন্য তৈরি করেছিলেন। এসব অকার্যকর কর্মসূচির কারণে সরকারি ফান্ডের অপচয় হচ্ছে।’
বিদেশে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর উপর গুরুত্ব দিয়ে নুরুল হক বলেন, বাংলাদেশ এখন জাপানসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশের শ্রমবাজারে (জব মার্কেটে) বড় পরিসরে কাজ করতে চায়। এই লক্ষ্য অর্জন এবং সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে দেশের নীতি বা পলিসির জায়গায় বড় পরিবর্তন প্রয়োজন।
প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর দুরবস্থা কাটানোর জন্য নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় পর্যায়ের ট্রেনিং সেন্টারগুলোকে ‘মডেল’ হিসেবে তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে অন্যান্য কেন্দ্রের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে। এ সময় দেশের নিজস্ব আইডিয়া বা ভাবনাগুলোকে প্রচার না করার মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
সরকারি দফতরের সেবা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে নুরুল হক নুর বলেন, ‘সেবাগ্রহীতা হিসেবে যখন সাধারণ নাগরিকরা কোনো সরকারি দফতরে যান, তখন তারা এখনও সম্মানের সঙ্গে সেবা পায় না। এই সংস্কৃতির পরিবর্তন দরকার।’ তবে দেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর একটি চমৎকার ভিশন (লক্ষ্য) রয়েছে, উল্লেখ করে সেটি বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে সামনে এগিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন তিনি।
ডায়ালগের এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ এবং জাপানের শিক্ষা, প্রযুক্তি ও কূটনৈতিক খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন