প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরিশালে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে কীটনাশকের নিরাপদ ব্যবহার বিষয়ে ফল ও সবজির পোকামাকড় দমনে।
শনিবার সকালে নগরীর উপকণ্ঠ রহমতপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের হলরুমে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয় বিএআরআইয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে।
প্রশিক্ষণের আয়োজন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভার প্রধান অতিথি ছিলেন বিএআরআইয়ের কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. নির্মল কুমার দত্ত। সভাপতিত্ব করেন কীটতত্ত্ব বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. কোহিনুর বেগম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. খোরশেদ আলম, কীটতত্ত্ব বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এটিএম হাসানুজ্জামান এবং প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. দেলোয়ার হোসেন। এছাড়া বক্তব্য দেন ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. কফিল উদ্দিন ও ড. মো. আনওয়ারুল মোনিম।
প্রশিক্ষণে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৬০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. নির্মল কুমার দত্ত উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার আগে দেশের তুলনায় বর্তমানে শস্য উৎপাদন প্রায় পাঁচ গুণ বেড়ে ৫ কোটি (৫০ মিলিয়ন) মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। বর্তমানে শুধু খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন নয়, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এজন্য কৃষিজমিতে কীটনাশকের নিরাপদ ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রয়োজন অনুভব করছেন।
এদিন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র ক্যাম্পাসে নারিকেলের সাদামাছি দমনে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা বিষয়েও কৃষকদের জন্য পৃথক একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন