প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৭ জুন, ২০২৬ : ইউরোপীয় পার্লামেন্ট বুধবার একটি কঠোর অভিবাসন নীতির চূড়ান্ত অনুমোদন দিতে চলেছে, যা কর্তৃপক্ষের অবৈধভাবে আগত অভিবাসীদের আটক ও বহিষ্কারের ক্ষমতা আরও বাড়াবে।
এটি ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে ‘ডিপোর্টেশন সেন্টার’ বা নির্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের সুযোগও তৈরি হবে।
স্ট্রাসবুর্গে অনুষ্ঠিত এই ভোটটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সদস্য দেশগুলোর দীর্ঘ আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার এমন একটি সংস্কারের শেষ ধাপের একটি, যা বর্তমানে প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক চাপ বাড়ায় এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে।
সংবাদটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিবাসন বিষয়ক কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার বলেছেন, ‘এই আইন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছে পাচারকারীরা নয়, বরং আমরাই সিদ্ধান্ত নেব ইউরোপীয় ইউনিয়নে কাদের থাকতে হবে এবং কাদের চলে যেতে হবে।’
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনার মুখে থাকা এই আইনে এমন বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা ইইউ’র বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ বা বহিষ্কার কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি দেয়।
যারা ইউরোপে থাকার অধিকার হারিয়ে ফেলেছেন, তাদেরকে এই কেন্দ্রগুলোতে পাঠানো হতে পারে। ইতোমধ্যে কিছু দেশ এমন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে।
ডেনমার্ক, অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি এবং নেদারল্যান্ডসসহ একাধিক দেশ এই প্রকল্পে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
সম্প্রতি এই ধারণাটি যখন ইউরোপীয় অর্থায়নের উদ্যোগে সমর্থন পায়, তখন ইইউভুক্ত দেশগুলোর একটি বড় অংশ এসব কেন্দ্র পরিচালনার জন্য সম্মত হয়। তবুও ফ্রান্স ও স্পেন এতে বিরোধিতা করেছে।
গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস বলেছেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে এসব কেন্দ্র স্থাপনের প্রথম চুক্তি সম্পন্ন করা, যাতে ২০২৭ সাল থেকে এগুলো কার্যকরভাবে চালু করতে পারি।’
ইউরোপীয় দেশগুলোতে অভিবাসন ইস্যুতে জনমত কঠোর হওয়ায় এবং ডানপন্থী দলগুলোর উত্থানে, সরকারগুলোও কঠোর অবস্থান নিচ্ছে।
২০২৫ সালে অভিবাসীর সংখ্যা কিছুটা কমে গেলেও, বর্তমানে ব্রাসেলসের মূল মনোযোগ প্রত্যাবাসন ব্যবস্থার উন্নতির দিকে। এ পর্যন্ত ইউরোপ থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ পাওয়া অভিবাসীদের মধ্যে মাত্র ৩০ শতাংশ নিজ দেশে ফিরে গেছে।
অতীতে ২০২৫ সালে অভিবাসীদের আগমন হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও, ব্রাসেলসের মনোযোগ বর্তমানে প্রত্যাবাসন ব্যবস্থার উন্নতির দিকে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন