প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পুলিশি নিরাপত্তা না পাওয়ার বিতর্কের মধ্যেই যুক্তরাজ্যে পা রেখেছেন প্রিন্স হ্যারি। তিনি সোমবার পাঁচ দিনের একটি সফরে দেশটিতে আসেন। তবে নিরাপত্তা না দেওয়ার কারণে তার স্ত্রী মেগান এবং দুই সন্তান এই সফরে তার সঙ্গে আসেননি।
হ্যারি চিকিৎসা ক্ষেত্রে আহত সাবেক সেনাদের জন্য ‘ইনভিকটাস গেমস’ শুরু করেছিলেন। আগামী বছর এই গেমসের আসর বসবে। সেই গেমসের ঘটনার ক্ষণগণনা শুরু করতেই হ্যারির এই সফর। গত চার বছরের মধ্যে এটি হতে পারত তাদের প্রথম পারিবারিক যুক্তরাজ্য সফর। কিন্তু নিরাপত্তা না পাওয়ার কারণে লন্ডনে হ্যারির সঙ্গে স্ত্রী মেগান, ছেলে আর্চি এবং মেয়ে লিলিবেট আসছেন না।
লন্ডনে হ্যারির থাকার জায়গা নিয়ে বর্তমানে বেশ জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বাকিংহাম প্যালেস জানিয়েছে, হ্যারি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের প্রস্তাবে স্বীকার করেছেন এমন কিছু হয়নি। তাই তিনি এবার রাজপ্রাসাদে অবস্থান করতে পারবেন না। অপরদিকে, হ্যারির মুখপাত্র জানায়, আনুষ্ঠানিকভাবে রাজি হওয়ার পরও শেষ সময়ের মধ্যে রাজপ্রাসাদের প্রস্তাব প্রত্যাহার করা অত্যন্ত হতাশাজনক বিষয়।
এই সফরের সময়ে বাবা রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে হ্যারির সাক্ষাৎ হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ক্যানসারে আক্রান্ত রাজার সঙ্গে হ্যারির শেষবার দেখা হয়েছিল ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।
এদিকে, মঙ্গলবার একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় দেওয়ার কথা রয়েছে। ডেইলি মেইলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যাসোসিয়েটেড নিউজপেপার্সের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের অভিযোগে মামলা করেছিলেন হ্যারি। পপ তারকা এলটন জন সহ আরও কয়েকজন এই মামলায় যুক্ত রয়েছেন।
২০১৯ সালে রাজপরিবারের দায়িত্ব ছুটে উত্তর আমেরিকায় চলে যান হ্যারি ও মেগান। এরপর থেকে পরিবারে তার সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করেছে। যুক্তরাজ্যে পুলিশি নিরাপত্তা ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে গত বছর হেরে যান হ্যারি। তাই বাধ্য হয়ে এই সফরে তার নিজস্ব বা বিকল্প নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন