প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করার জন্য দাবি জানিয়ে নবগঠিত ককরোচ জনতা পার্টি-সিজেপি প্রায় দেড় মাস ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। গত ১৬ মে, ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের এক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী অভিজিত দীপকে অনেকটা ব্যঙ্গ করে তিনি অনলাইনে ককরোচ জনতা পার্টি-সিজেপি গড়ে তোলেন।
নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সিজেপি গত ৭ মে যন্তর-মন্তরে প্রথম প্রতিবাদ সমাবেশ করে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে এসে সরাসরি সমাবেশে যোগ দেন অভিজিৎ। এর পরে থেকে সিজেপি নেতাকর্মীরা ঘুরেফিরে যন্তর-মন্তরেই দিন কাটাতে শুরু করেছেন।
গত ২৮ জুন, আন্দোলনে নতুন গতি আসতে শুরু করে, যখন অ্যাক্টিভিস্ট সোনম ওয়াংচুক তাদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে আমরণ অনশন শুরু করেন।
তবে গত ২০ জুলাই সিজেপির ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে দেখা যায়, যার ফলে দিল্লির প্রাণকেন্দ্র রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এরপর, এই আন্দোলন দিল্লি ছাড়িয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।
দিনের পর দিন আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ায় এই আন্দোলনের অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় একই ধরনের আন্দোলনে সরকারের পতন ঘটেছে।
এছাড়া, বিভিন্ন সময়ে এসব আন্দোলনে বিদেশি অর্থায়ন ও ডিপস্টেটের পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগও উঠেছে। ভারতের সিজেপির আন্দোলনের অর্থের উৎস নিয়ে গুঞ্জন শুরু হলেও আন্দোলনকারীরা তা অস্বীকার করেছেন। যন্তর-মন্তরে বিক্ষুব্ধ এক শিক্ষার্থীর হাতের ফেস্টুনে লেখা ছিল, ‘আমাদের কেউ অর্থ দিচ্ছে না। সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা বিনা পয়সায় আন্দোলন করে দিচ্ছি।’
আন্দোলনে বিদেশি অর্থায়নের বিষয়টি শেষ পর্যন্ত উঠে এসেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে।
শুক্রবারের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল সিজেপির আন্দোলনে বিদেশি অর্থায়নের বিষয়টি সম্পর্কে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ‘এ ব্যাপারে বলার মতো কোনো তথ্য আমার কাছে নেই।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন