প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরে গিয়ে আবারও শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে ইংল্যান্ডের। টুর্নামেন্টজুড়ে দলে নেতৃত্ব দেওয়া অধিনায়ক হ্যারি কেইনের সামনে এখন বড় প্রশ্ন, ২০২৬ সালের পরের বিশ্বকাপে কি দেখা যাবে তাকে?
ইংল্যান্ডের হয়ে ২০১৮ বিশ্বকাপে ক্যারিয়ার শুরু করার পর কেইন আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক হয়ে উঠেছেন। সেই আসরে তার ছয়টি গোল ছিল, যা তাকে গোল্ডেন বুট এনে দেয় এবং ২৮ বছরের বিরতির পর ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। ২০২২ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের পথ কোয়ার্টার-ফাইনাল পর্যন্তই থেমে যায়, আর এবার ২০২৬ বিশ্বকাপেও তাদের যাত্রা শেষ হলো সেমিফাইনালে।
ক্লাব ফুটবলে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে টটেনহ্যামের পরিধানে ছিলেন, কিন্তু বড় কোনো শিরোপা তার হাতেনাতে আসেনি। এরপর বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তিনি প্রথমবারের মতো ট্রফি জয়ের স্বাদ পান। তবে ইংল্যান্ডের হয়ে এখনও বড় কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা অধরাই রয়ে গেছে।
ইউরো টুর্নামেন্টগুলোতেও কেইন একই মাত্রিক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। ২০২০ ও ২০২৪ ইউরোতে তিনি দুবার ফাইনালে উঠেছিলেন, কিন্তু ইতালি ও স্পেনের বিপক্ষে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে ইংল্যান্ড।
পরবর্তী বিশ্বকাপে কেইনের বয়স হবে ৩৬ বছর, তাই জাতীয় দলের হয়ে আরেকটি বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে ইংলিশ অধিনায়ক সরাসরি কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। কেইন বলেন, “এখনই আমি কিছু বলতে চাই না। তখন আমি কেমন খেলছি, শারীরিক অবস্থা কেমন থাকবে এসবের ওপর নির্ভর করবে বিশ্বকাপে খেলা।”
তবে বয়সকে বড় বাধা হিসেবে দেখছেন না তিনি। তার কথা অনুযায়ী, লিওনেল মেসির উদাহরণ টেনে, কেইন বলেন, “এই গ্রীষ্মে আমার বয়স ৩৩ হবে। মেসি ৩৯ বছর বয়সেও খেলছে এবং ভালো পারফর্ম করছে। দেখা যাক আমার ক্ষেত্রে কী হয়। আমি এখনই কোনো সীমারেখা টানতে চাই না।”
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালের হারটি নিয়ে হতাশা প্রকাশও করেছেন কেইন। তার মতে, ম্যাচের বেশিরভাগ সময় তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখলেও শেষ পর্যন্ত জয় ধরে রাখতে পারেনি ইংল্যান্ড।
কেইন বলেন, “মনে হচ্ছে আগের টুর্নামেন্টগুলোর পুনরাবৃত্তিই হলো। ৬০ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচ আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল, কিন্তু এরপর পরিস্থিতি বদলে যায়।”
এক গোলের লিড ধরে রাখতে না পারার আক্ষেপ রয়েছে ইংল্যান্ড অধিনায়কের। তিনি বলেন, “এগিয়ে যাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই লক্ষ্য থাকে ব্যবধান ধরে রাখা। কিন্তু ২০ মিনিটের মধ্যেই তারা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ম্যাচটা আমাদের হাতেই ছিল, কিন্তু আমরা ধরে রাখতে পারিনি।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন