প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চলমান থাকলেও বর্তমানে দ্রুত বর্জ্য অপসারণকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান অগ্রাধিকার হিসাবে চিহ্নিত করেছেন করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। তিনি জানান, ওয়ার্ডভিত্তিক টেন্ডারের মাধ্যমে পরিচালিত বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ প্রকাশ হচ্ছে। কোথাও নির্ধারিত সময়ে ময়লা তোলা হচ্ছে না, আবার কোথাও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ শুনতে পাওয়া যাচ্ছে। আগামী বছর বর্তমান ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। যদি জনগণ কাঙ্খিত সেবা না পেয়ে থাকে, তবে প্রয়োজনে নতুন ব্যবস্থা চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে, ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ঈদ অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানেও তিনি এ কথা উল্লেখ করেন।
এই অনুষ্ঠানটি বুধবার (১৭ জুন) নগর ভবন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত হয়। যেখানে ডিএসসিসির মোট ৪ হাজার ৯৫০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান হস্তান্তর করা হয়।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, সিটি করপোরেশনের সবচেয়ে কঠিন ও কষ্টসাধ্য কাজটি 수행 করেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। নাগরিকদের সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা যদি চলমান থাকে, তবে আগামী দুই বছরের মধ্যে ঢাকার চেহারা পাল্টে দেওয়া সম্ভব হবে।
তিনি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের জনসচেতনতা তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে আহ্বান জানান।
এবারের ঈদুল আজহায় স্বল্প সময়ে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানানোর সময় প্রশাসক বলেন, দ্রুত বর্জ্য অপসারণের ফলে এবার নগরবাসী দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেয়েছেন, যা সর্বমহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়ে প্রশাসক জানান, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য একটি আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি ইতোমধ্যে এক হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে ‘হেলথ কার্ড’ দেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে ছয় হাজারে বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া, আর্থিক সংকটের কারণে কোনো পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সন্তান যেন উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই লক্ষ্য নিয়ে সিটি করপোরেশন সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন ঢাকা গড়ে তোলা শুধুমাত্র সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব নয়, এটি নাগরিকদেরও দায়িত্ব। সবাই মিলে কাজ করলে রাজধানীকে আরও পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন