প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পর্তুগাল জুড়ে অত্যন্ত তপ্ত ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ছড়িয়ে পড়া দাবানল নেভাতে প্রাণপণ লড়াই করে যাচ্ছেন দুই হাজারের অধিক জরুরি সেবা কর্মী। তাঁদের সহায়তায় নিয়োজিত রয়েছে অন্তত ২০টি বিশেষ বিমান।
মঙ্গলবার দেশটির সিভিল প্রোটেকশন ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি পর্তুগিজ ভূখণ্ড জুড়ে একাধিক ভয়াবহ ল্যান্ডফায়ার দেখা দিয়েছে। বর্তমানে দেশের একটি বড় অংশজুড়ে চরম অগ্নিঝুঁকি সৃষ্টি হওয়ায় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।
আবহাওয়া পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে পর্তুগিজ ইনস্টিটিউট ফর সি অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ার মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত দেশের নয়টি জেলাকে অরেঞ্জ অ্যালার্টের আওতায় নিয়ে এসেছে। এছাড়াও রাজধানী লিসবন, সেতুবাল এবং ফারো ব্যতীত পুরো মূল পর্তুগাল জুড়ে ইয়োলো সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। জাতীয় জরুরি ও সিভিল প্রোটেকশন অথরিটি প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়ে যেতে পারে এবং প্রায় সর্বত্রই বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ অস্বাভাবিক ভাবে কম থাকবে। বিশেষ করে উত্তর ও মধ্যভাগের অভ্যন্তরীণ জেলাগুলোতে দাবানলের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এ কারণে সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে যে জায়গাগুলোতে আগুন সবচেয়ে বেশি তীব্র হয়ে উঠেছে, তার মধ্যে উত্তর-পূর্বের ব্রাগানসা জেলার তোরে দে মনকোর্ভোর দাবানলটি অন্যতম। গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই আগুনে এরই মধ্যে দুই হাজার হেক্টরেরও বেশি বনভূমি পুড়ে গেছে। সেখানে ৪ শতাধিক জরুরি কর্মী এবং প্রায় ১৪০টি গাড়ি কাজ করছে।
স্থানীয় মেয়র জোসে মেনেসেস জানিয়েছেন, একটি সক্রিয় ফ্রন্ট এখনও আছে, তবে বিকেলের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে তা পুরোপুরি নেভানোর জন্য আশা করছেন। অন্যদিকে উপকূলীয় আভিইরো জেলার আরৌকাতে সোমবার রাতে নতুন করে আগুন লাগে, যেখানে চারটি সক্রিয় ফ্রন্ট সামলাতে মাঠে নেমেছেন ৩০০ কর্মী। সেই সঙ্গে পোরটো মেট্রোপলিটন এলাকার সানতো তিরসোতেও প্রায় ৯০০ হেক্টর এলাকা আগুনে পুড়ে যাওয়ার পর সেখানে ২০০ জন কর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনিগ্রো কর্মকর্তা ও মন্ত্রীদের সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠক করেছেন। বৈঠক শেষে তিনি জানান, পর্তুগালকে আগামীতে কয়েক সপ্তাহের জন্য মারাত্মক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতে পারে।
সূত্র: ইউরো নিউজ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন