০৩:৫৯ এম
সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেছেন, ৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন আমরা এটাকে নিয়ে ধরে নিয়েছিলাম, এটি একটা বিক্ষুব্ধ জনতার প্রয়াস। যদিও আমি জানি যে এটা আসলে বিক্ষুব্ধ জনতার প্রয়াস ছিল না। কারণ আমার বাসা ওখানেই। আমি দেখেছি ওই লোকগুলোকে। আমি লাইভ করেছিলাম তখন এ ঘটনার। আমি দেখেছি, তারা কী বলছিল। দেখা গেছে, তারা বেশিরভাগই স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের সদস্য ছিল। আমি দেখলাম, একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরছিলেন। জড়িয়ে ধরে বলছিলেন, হ্যাপি ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে। আমাদের স্বাধীনতার দিবস তো ১৬ ডিসেম্বর হয়ে গেছে। এখানে নতুন করে হ্যাপি ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে কোথা থেকে এলো? এটা স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ছাড়া আর কেউ করতে পারে না। তবে অন্য কিছু উৎসাহী জনতাও ছিল। কিন্তু মূল চক্রটা ছিল ওরা। রবিবার (৩ মে) দেশের বেসরকারি টিভি চ্যানেলের এক টক শো-তে এ প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেছেন। আনিস আলমগীর আরও বলেন, এই চক্র বঙ্গবন্ধুর যত মূর্তি বা ভাস্কর্য ছিল, সেগুলো ভাঙচুর করেছে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত যে সমস্ত স্কাল্পচার ছিল, সেগুলোকে ভাঙছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক যত কার্যক্রম দেশের মধ্যে ছিল, একযুগে সব ভাঙচুর শুরু করেছে। তাহলে আসলে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনাকে পতন ঘটানোর দায়িত্ব ছিল? নাকি মুক্তিযুদ্ধকে হেয় করা, মুক্তিযুদ্ধকে আড়াল করা, মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা ছিল? এটা একটি বড় প্রশ্ন হিসেবে দেখা দিয়েছিল। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট ড. ইউনূস তখন ক্ষমতায় ছিলেন না, ঠিক আছে, উনি দেখেননি। কিন্তু ৩২ নম্বর wanneer ফেব্রুয়ারিতে ভাঙা হলো তখন উনার সরকার কী করছিল? উনারা চুপ ছিলেন। ঘোষণা দিয়ে ভাঙা হয়েছে, উনার ক্যাবিনেটের লোকগুলো সেটাকে উৎসাহ দিচ্ছিল। এভাবেই যখন চলছিল, তখন তো এটাও স্পষ্ট হয়ে গেছে যে উনি আসলে স্বাধীনতাবিরোধীদের একটি হাতের পুতুল। উনি তাদের খায়েশ বাস্তবায়ন করার জন্য এদেশের শাসন ব্যবস্থা হাতে নিয়েছেন। বা তাদের পুতুল হয়ে তাদের কথা অনুযায়ী চলছেন। আমি বলবো না যে তাদের খায়েশ বাস্তবায়ন করতে উনি এসেছেন। কিন্তু উনি তাদের খপ্পরে পড়ে গেছেন। তাদের খপ্পরে পড়ে উনি নিজের মতো করে রাষ্ট্র চালিয়েছেন। এমন একটি দুঃসহ সময় আমাদের উপহার দিয়েছেন, ১৮ মাস। এ দেশ, এ জাতি এর থেকে বড় নির্যাতন আর কখনো পায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন