ঢাকা শনিবার, ১৬ই মে, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ৩০শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিজরী
শনিবার, ১৬ই মে, ২০২৬ইং ০২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩বাং

স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ছাড়া কেউ ধানমন্ডি ৩২ ভাঙতে পারে না : আনিস আলমগীর


স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ছাড়া কেউ ধানমন্ডি ৩২ ভাঙতে পারে না : আনিস আলমগীর

সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেছেন, ৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন আমরা এটাকে নিয়ে ধরে নিয়েছিলাম, এটি একটা বিক্ষুব্ধ জনতার প্রয়াস। যদিও আমি জানি যে এটা আসলে বিক্ষুব্ধ জনতার প্রয়াস ছিল না। কারণ আমার বাসা ওখানেই। আমি দেখেছি ওই লোকগুলোকে। আমি লাইভ করেছিলাম তখন এ ঘটনার। আমি দেখেছি, তারা কী বলছিল। দেখা গেছে, তারা বেশিরভাগই স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের সদস্য ছিল। আমি দেখলাম, একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরছিলেন। জড়িয়ে ধরে বলছিলেন, হ্যাপি ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে। আমাদের স্বাধীনতার দিবস তো ১৬ ডিসেম্বর হয়ে গেছে। এখানে নতুন করে হ্যাপি ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে কোথা থেকে এলো? এটা স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ছাড়া আর কেউ করতে পারে না। তবে অন্য কিছু উৎসাহী জনতাও ছিল। কিন্তু মূল চক্রটা ছিল ওরা। রবিবার (৩ মে) দেশের বেসরকারি টিভি চ্যানেলের এক টক শো-তে এ প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেছেন। আনিস আলমগীর আরও বলেন, এই চক্র বঙ্গবন্ধুর যত মূর্তি বা ভাস্কর্য ছিল, সেগুলো ভাঙচুর করেছে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত যে সমস্ত স্কাল্পচার ছিল, সেগুলোকে ভাঙছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক যত কার্যক্রম দেশের মধ্যে ছিল, একযুগে সব ভাঙচুর শুরু করেছে। তাহলে আসলে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনাকে পতন ঘটানোর দায়িত্ব ছিল? নাকি মুক্তিযুদ্ধকে হেয় করা, মুক্তিযুদ্ধকে আড়াল করা, মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা ছিল? এটা একটি বড় প্রশ্ন হিসেবে দেখা দিয়েছিল। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট ড. ইউনূস তখন ক্ষমতায় ছিলেন না, ঠিক আছে, উনি দেখেননি। কিন্তু ৩২ নম্বর wanneer ফেব্রুয়ারিতে ভাঙা হলো তখন উনার সরকার কী করছিল? উনারা চুপ ছিলেন। ঘোষণা দিয়ে ভাঙা হয়েছে, উনার ক্যাবিনেটের লোকগুলো সেটাকে উৎসাহ দিচ্ছিল। এভাবেই যখন চলছিল, তখন তো এটাও স্পষ্ট হয়ে গেছে যে উনি আসলে স্বাধীনতাবিরোধীদের একটি হাতের পুতুল। উনি তাদের খায়েশ বাস্তবায়ন করার জন্য এদেশের শাসন ব্যবস্থা হাতে নিয়েছেন। বা তাদের পুতুল হয়ে তাদের কথা অনুযায়ী চলছেন। আমি বলবো না যে তাদের খায়েশ বাস্তবায়ন করতে উনি এসেছেন। কিন্তু উনি তাদের খপ্পরে পড়ে গেছেন। তাদের খপ্পরে পড়ে উনি নিজের মতো করে রাষ্ট্র চালিয়েছেন। এমন একটি দুঃসহ সময় আমাদের উপহার দিয়েছেন, ১৮ মাস। এ দেশ, এ জাতি এর থেকে বড় নির্যাতন আর কখনো পায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝড়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ওয়াশ ব্লকে আশ্রয় নিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৪ই মে, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ এম


ঝড়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ওয়াশ ব্লকে আশ্রয় নিলেন

কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিপূর্ণ একাডেমিক ভবন ছেড়ে দ্রুত বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকে আশ্রয় নেয়। এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গত শনিবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ৮৬ নম্বর তারাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ভবনের দেয়ালে ফাটল, ছাদের প্লাস্টার খসে পড়া এবং কাঠামোগত দুর্বলতা থাকায় এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনটি যেকোনো সময় ধসে পড়ার আশঙ্কা থাকায়, সামান্য দুর্যোগ শুরু হলেই ক্লাস বন্ধ করে ওয়াশ ব্লকে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে বাধ্য হন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা। এদিকে বিদ্যালয়ের এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা বিবেচনায়, কিছু মাস আগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মঈনুল হক একটি টিনশেড ঘর নির্মাণের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেন। তবে ইউএনও বদলি হওয়ার পর উপজেলা প্রকৌশলী শফিউল আজম সেই বরাদ্দ বাতিল করে দেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।

এ ঘটনার জন্য অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। অভিভাবকদের দাবি, শিশুদের জীবনের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও এমন একটি জরুরি বরাদ্দ বাতিল করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওয়ালিউল্লাহ হাওলাদার জানান, দুপুরে ঝড় শুরু হতেই আমরা শিক্ষার্থীদের দ্রুত ওয়াশ ব্লকে সরিয়ে নেই। ভবনটি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ যে, ক্লাস নেওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, আমরা দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা প্রয়োজন। আগের ইউএনও কক্ষ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেন। তবে তিনি (ইউএনও) বদলি হতেই বরাদ্দ বাতিল করে দেন উপজেলা প্রকৌশলী শফিউল আজম। তিনি আরো যোগ করেন, ওই সময়ে ঘর নির্মাণ হলে আজ এই পরিস্থিতিতে পড়তে হতো না।

এ বিষয়ে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাগুফতা হক বলেন, ‘ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরদিকে কেন টিনশেড ঘর নির্মাণের বরাদ্দ বাতিল করা হয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখব। স্থানীয় জনসাধারণ দ্রুত টিনশেড ঘর নির্মাণসহ স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বিধানসভা নির্বাচনের ফল আজ

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার লড়াইয়ে মোদি না দিদি, দুই শিবিরে টানটান উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৪ই মে, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ এম


পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার লড়াইয়ে মোদি না দিদি, দুই শিবিরে টানটান উত্তেজনা

আজ সোমবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা বাদে ২৯৩টি আসনে ভোট গণনা করা হবে। গণনা সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট এবং পরে ইভিএমের ভোট গণনা করা হবে। ভোটের ফলাফল নিয়ে পুরো রাজ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, স্বাধীনতা-উত্তর পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের জন্য এতো তীব্র প্রতিযোগিতা কখনও দেখা যায়নি। এবার রাজ্যটির ক্ষমতায় আসীন হবে নরেন্দ্র মোদির দল, নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস, তা নিয়েই চলছে নানা হিসাব।

রাজ্যের দুই দফায় ভোট গ্রহণে রেকর্ড ৯৩ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। ভোট গণনায় ৪ ঘণ্টার মতো সময় লাগতে পারে। দুপুর ১২টার দিকে আসতে থাকবে ভোটের ফলাফল।

বুথফেরত সমীক্ষার বেশিরভাগ অংশই ইঙ্গিত দিচ্ছে, রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হতে পারে এবং বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে। ২৯৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য ১৪৮ আসনের প্রয়োজন। তবে রাজনৈতিক মহলের কিছু অংশের ধারণা, কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নাও পেতে পারে। এমন অবস্থায় জোট সরকারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

নির্বাচন কমিশন ভোট গণনা অবাধ ও স্বচ্ছ রাখতে প্রতিটি গণনাকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে কড়া বিধিনিষেধ জারি করেছে। সিসিটিভি ক্যামেরা ও ভিডিওগ্রাফির মাধ্যমে পুরো প্রক্রয়ের ওপর নজর রাখা হচ্ছে। গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তায় ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থা রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ তৎপর রয়েছে। শুধুমাত্র কিউআর কোডভিত্তিক পরিচয়পত্র থাকলে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে সেখানে ঢুকতে পারবেন না।

এবার ভোট গণনা করা হচ্ছে কলকাতাসহ রাজ্যের ৭৭টি গণনাকেন্দ্রে।其中 কলকাতার পাঁচটি গণনাকেন্দ্র রয়েছে। কলকাতার সবচেয়ে বড় গণনাকেন্দ্র হচ্ছে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র। এখানে কলকাতার ১১টি বিধানসভা আসনের সাতটির ভোট গণনা হবে।

সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করার জন্য নির্বাচন কমিশন মোট ৪৩২ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এর পাশাপাশি ১৬৫ জন অতিরিক্ত গণনা পর্যবেক্ষক এবং ৭৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনায় ৩৩টি আসনে ৪৯ জন গণনা পর্যবেক্ষক রয়েছেন। এটাই রাজ্যে সর্বাধিক সংখ্যা। সবচেয়ে কম পর্যবেক্ষক নিযুক্ত হয়েছে আলিপুরদুয়ারে, যেখানে পাঁচটি আসনের জন্য ছয়জন পর্যবেক্ষক রয়েছেন।

তৃণমূলের আশঙ্কা যে বিজেপি নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতায় স্ট্রং রুমে ঢুকে ইভিএম মেশিনে কারচুপি করে ফলাফল বদলে দিতে পারে। এ কারণে মমতা নেতাকর্মীদের স্ট্রং রুম পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতাও গত শুক্রবার রাতে চার ঘণ্টা অবস্থান করেন সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল কেন্দ্রের স্ট্রং রুমে।

পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে একই দিনে আসাম, তামিলনাড়ু, কেরালা এবং পুদুচেরিতেও ফলাফল প্রকাশ করা হবে। বেশিরভাগ বুথফেরত সমীক্ষা কেরলে সরকার বদলের ইঙ্গিত দিয়েছে। আসাম, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে ক্ষমতাসীন জোটের প্রত্যাবর্তনের বার্তা দিয়েছে সমীক্ষা। বিশেষ করে তামিলনাড়ুর ফলাফলের দিকে সবার নজর থাকবে, যেখানে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পারবেন কিনা, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

একটি আসনের ভোট বাতিল

বৈশ্বিক সহিংসতা, ইভিএম কারচুপি এবং ভোটারদের ভয় দেখানোর সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এই কেন্দ্রের সকল বুথে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছে।

গত ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটের দিনে ফলতায় নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলার চিত্র ধরা পড়েছিল। নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকদের রিপোর্টে বলা হয়, সেখানে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ ছিল না। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ফলতা বিধানসভার মোট ২৮৫টি বুথেই আগামী ২১ মে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হবে।

ভোট গণনার জন্য ১২ হাজার সতর্কতা জারি করেছে বিজেপি। গণনাকেন্দ্রে কড়া নজর রাখবে গেরুয়া শিবির। বিজেপি যদি ৫০০-৭০০ ভোটে এগিয়ে থাকে, তাহলে ভোট পুনর্গণনার আবেদন করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার লড়াইয়ে মোদি না দিদি, দুই শিবিরে টানটান উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৪ই মে, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ এম


পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার লড়াইয়ে মোদি না দিদি, দুই শিবিরে টানটান উত্তেজনা

ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।’ ডাক্তারি ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের প্রস্তাবের ওপর মন্তব্য করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহযোগিতা চেয়েছেন জনগণকে দেওয়া ওয়াদা পূরণে। মূলত, একটি দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় জনবান্ধব প্রশাসন গড়ার গুরুত্ব তিনি তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি শক্তিশালী জবাবদিহিমূলক আইনসম্মত এবং জনবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’ রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চারদিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ওপর একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনার ছাড়াও মন্ত্রিসভার সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং সচিবসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ডিসিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমি পরিষ্কার করে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই, নির্বাচনি ইশতেহার এবং জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি দফা, প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই।’

তিনি সংযোজন করেন, ‘আমরা এ ব্যাপারে বদ্ধপরিকর। আমি আশা করব, আপনারা আপনাদের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে জনগণের কাছে দেওয়া সরকারের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়নে ইনশাল্লাহ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।’

মাঠ প্রশাসকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বোচ্চ প্রশাসনিক স্তরে অবস্থান করছেন। একটি শক্তিশালী জবাবদিহিমূলক আইনসম্মত এবং জনবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আপনি সরকারের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।’

তিনি আরো জানিয়ে দেন, ‘সুশাসন বর্তমান সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি। সুশাসনের জন্য প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা, যোগ্য নেতৃত্ব এবং অবশ্যই জবাবদিহি।’ প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, সেটি হচ্ছে, ‘আমরা দুর্নীতির সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করতে চাই না।’

নির্দেশনামূলক বক্তব্যে সরকারপ্রধান বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি। ব্যয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।’ এছাড়াও কাজের গুণগতমান নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রশাসনের প্রতি আরো কার্যকরী নির্দেশনা দিয়েছেন। সাধারন জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের মানসিকতা প্রতিষ্ঠা করতে চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পরিচালনায় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পেশাদারির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এটি প্রমাণ হয়েছে যে, জনপ্রশাসন চাইলে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পারে। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি।’

এবারের সম্মেলনে ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ হিসেবে ডিসিদের প্রতি কিছু নির্দেশনার কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে বাজার সিন্ডিকেট দমন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট বা মজুতদারি সহ্য করা হবে না।’ নিয়মিত বাজার তদারকির দরকার রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী খাল খনন ও কৃষি বিপ্লবের কথাও উল্লেখ করেন এবং বলেন, ‘প্রযুক্তির ওপর নির্ভর না করে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচিতে জনগণকে সরাসরি সংযুক্ত করা হবে।’ এটি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে।

ডিজিটাল ও স্মার্ট প্রশাসনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি সেবাকে আরো দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করা প্রয়োজন।’

মোবাইল কোর্টের কার্যকারিতার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাদ্যে ভেজাল, বাল্যবিবাহ এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টকে নিয়মিত ও দৃশ্যমান করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘সততা, মেধা এবং দক্ষতাই হবে জনপ্রশাসনের নিয়োগ, বদলি কিংবা প্রমোশনের মূলনীতি।’ স্বচ্ছতা এবং দ্রুততার সঙ্গে শূন্যপদে জনবল নিয়োগ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যই হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।’ এ সম্মেলনে ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থাকছেন। চার দিনে ৩৪টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে ৩০টিই হলো সরাসরি কার্যঅধিবেশন। মাঠ প্রশাসন থেকে এবার এক হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব পাওয়া গেছে, যার মধ্যে বাছাই করা ৪৯৮ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারসহ বিভিন্ন কর্মকর্তার বক্তব্যসহ অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে প্রধানমন্ত্রীর সাথে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন বিভাগের কমিশনার ও ডিসিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে আপাতত স্বস্তি সরকারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৪ই মে, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ এম


বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে আপাতত স্বস্তি সরকারের

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল পরিস্থিতি নিয়ে আপাতত সরকার স্বস্তিতে রয়েছে। টানা ছয়দিন দেশের কোথাও লোডশেডিংয়ের খবর নেই। এছাড়া, জ্বালানি তেলের জন্য পেট্রোল পাম্পগুলোয় কোনো ভিড় নেই বলা যায়। ফলে, জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সরকার, যানবাহন মালিক এবং পেট্রোল পাম্পের মালিক-কর্মচারী সকলেই সন্তুষ্ট।

মে মাস পর্যন্ত সব ধরনের জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা। গতকাল রোববার দেশে সরবরাহযোগ্য তিন লাখ ৫৫ হাজার ১৬৯ টন জ্বালানি তেলের মজুত ছিল। আগামী কয়েক দিনে জ্বালানি তেলের মজুত আরো বাড়বে বলে জানিয়েছেন তারা।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, গত ২৮ এপ্রিল আট বিভাগসহ দেশের ৯টি জোনে ‘জিরো আওয়ারে’ (রাত ১২টায়) বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১২ হাজার ১৮৩ মেগাওয়াট, যার বিপরীতে সরবরাহ ছিল সমপরিমাণ। সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী, ওই সময় দেশে কোনো লোডশেডিংয়ের ঘটনা ঘটেনি। একই দিন দুপুর ১২টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১০ হাজার ৬২০ মেগাওয়াট, এবং সরবরাহও হয়েছে ১০ হাজার ৬২০ মেগাওয়াট। পিকআওয়ারে (সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা) সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১১ হাজার ৪৭৫ মেগাওয়াট, যা সম্পূর্ণভাবেই সরবরাহ করা হয়েছে।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ সূত্র অনুযায়ী, গতকাল রোববার বেলা ৩টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১২ হাজার ৭২ মেগাওয়াট, যার বিপরীতে সরবরাহও ছিল সমপরিমাণ। এই পরিস্থিতিতে, দেশের কোথাও লোডশেডিংয়ের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১ মে সরকারি ছুটির দিনে দুপুর ১২টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল আট হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট, এবং সরবরাহ ছিলও আট হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট। পিক আওয়ারে (সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা) দেশের বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১০ হাজার ৪৬২ মেগাওয়াট, যা সরবরাহও হয়েছিল সমপরিমাণ। ফলে, ওই দিনও দেশে কোনো লোডশেডিং হয়নি। টানা ছয়দিন লোডশেডিং না হওয়ার পেছনে অসময়ের বৃষ্টিপাতকে আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাগণ ও বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, সাধারণত এ সময়ে বৃষ্টিপাত হয় না এবং অন্যান্য বছর বিদ্যুতের চাহিদা ১৭ থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত থাকে। কিন্তু এবার গতির কারণে বিদ্যুতের চাহিদা তেমন বাড়েনি। দেশের কৃষি খাতসহ কয়েকটি খাতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে দেশবাসী স্বস্তিতে রয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, আগামী আরো কয়েক দিন এটি অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন নেসা আমার দেশকে জানিয়েছেন, আগামী ১০ মে পর্যন্ত মাঝে মাঝে কমবেশি বৃষ্টি হতে পারে। এবার আগেই পশ্চিমা লঘুচাপ সক্রিয় থাকায় এবং দখিনা বায়ু উপরের দিকে উঠে আসার ফলে জলীয়বাষ্পের সংমিশ্রণে বাতাস সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাহাড়ে বাধাগ্রস্ত হয়ে প্রচুর মেঘমালা তৈরি করেছে। যার ফলস্বরূপ, বর্ষা মৌসুমের আগে বৃষ্টিপাত বেড়ে গেছে।

এই আবহাওয়াবিদ আরও উল্লেখ করেন, মে মাসের অন্তত ১০ তারিখ পর্যন্ত মাঝে মাঝে বৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। আবহাওয়ার এই পূর্বাভাস দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হবে বলে জানান বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাগণ।

জ্বালানি তেলের মজুত নিয়ে সন্তুষ্টি জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা। তাদের মতে, পুরো মে মাসের জন্য জ্বালানি তেলের মজুত নিশ্চিত রয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরবরাহযোগ্য তিন লাখ ৫৫ হাজার ১৬৯ টন জ্বালানি তেলের মধ্যে ডিজেল রয়েছে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৯৬৫ টন। মোট জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে ডিজেল চাহিদা ৬৩-৭০ শতাংশ পর্যন্ত। বিপুল এই চাহিদা জোগান দিতে সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে বলেও জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কর্মকর্তাগণ। তারা জানান, ডিজেলের মজুত বাড়ানোর জন্য সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। বর্তমানে তিনটি জাহাজে আসা ৭৫ হাজার টন ডিজেল খালাস হচ্ছে, এছাড়া আরো ৩৩ হাজার টন পথে রয়েছে। মে মাসে ডিজেলের তিন লাখ ৭০ হাজার টনের চাহিদার বিপরীতে জোগানও সমপরিমাণ বলে জানান কর্মকর্তাগণ।

জ্বালানি তেলের জন্য সারা রাতও পাম্পের সামনে কাটানোর ঘটনা বর্তমানে অতীত হয়ে গেছে। কেউ কেউ ২০টি পাম্প ঘুরে তেল না পেয়ে গাড়ি গ্যারেজে রেখেছেন। পেট্রোল পাম্পের নিরাপত্তা দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও কোথাও কোথাও মোতায়েন করতে হয়েছে। তেল না পেয়ে পাম্পের কর্মচারীদের মারধরের ঘটনাও ঘটেছিল অনেক জায়গায়। কিন্তু বর্তমানে পাম্পগুলো থেকে পর্যাপ্ত জ্বালানি পেয়ে যানবাহন মালিকগণ খুশি। কোথাও কোথাও কর্মচারীদের গল্প করে অলস সময় কাটাতে দেখা যাচ্ছে। গতকাল রাজধানী ও আশপাশের পাম্পগুলো ঘুরে এই দৃশ্য দেখা গেছে।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১১ দিনের মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জ্বালানি তেল নিয়ে যানবাহন মালিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সরকারের পক্ষ থেকে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার কথা বলা হলেও বাস্তবতা হলো পেট্রোল পাম্পগুলোয় কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত লাইন তৈরি হয়েছিল। চারদিকে মজুতের হিড়িক পড়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ডিসিদের তত্ত্বাবধানে পাম্পগুলোয় ট্যাগ অফিসার নিয়োগ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ৩৮৬টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। সরকারের এসব উদ্যোগের পরও দেশজুড়ে টানা ৫০ দিন হাহাকার অবস্থা চলতে থাকে। জ্বালানি তেলের জন্য হামলা, সংঘাত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ১৯ এপ্রিল সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ায় পাম্পগুলো থেকে যানবাহনের ভিড় উধাও হয়ে যায় এবং সব হাহাকারও দূর হয়। পর্যাপ্ত সরবরাহ পেয়ে খুশি পেট্রোল পাম্পের মালিকরাও এবং চাহিদামতো জ্বালানি তেল পেয়ে যানবাহন মালিকরাও খুশি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৩০শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৩:৫২
জোহর ১১:৫৬
আসর ০৪:৩৩
মাগরিব ০৬:৩৪
ইশা ০৭:৫৩
সূর্যোদয় : ০৫:১৬ সূর্যাস্ত : ০৬:৩৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%