প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বর্তমানে বগুড়ায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কার্যক্রমের প্রস্তুতি চলছে। বিশেষ করে চলতি বছরের শেষ প্রান্তিকে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বগুড়ার নির্বাচনী অফিস এই বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়েছে।
সূত্রের সন্ধান করে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদ করেছে। এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বগুড়ার ২৯ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭৫ জন ভোটারের ভোট দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তালিকায় নতুন ভোটার হিসেবে ১৫ হাজার ৭৩৫ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দৃশ্যে তৎপরতা বেড়েছে।
বগুড়ার নির্বাচন কর্মকর্তাদের দ্বারা জানানো হয়েছে, বর্তমানে বগুড়া ১২টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। তবে নতুন করে আরেকটি উপজেলা যুক্ত হয়েছে। এই নতুন উপজেলায় ভোটার তালিকার হালনাগাদ কার্য সম্পন্ন হয়নি। বগুড়ার মোকামতলা উপজেলায় কোনো দৃশ্যমান স্থাপনা না থাকায়, সেখানে ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হতে বিলম্বিত হতে পারে।
এদিকে, বগুড়ার রাজনৈতিক অঙ্গনের নেতাকর্মীরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য উদগ্রীব। বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যানারের মাধ্যমে তারা লিফলেট, পোস্টার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন। বিএনপির নেতারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিজেদের অবস্থান থেকে উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করছেন। তাদের কর্মকাণ্ডে সরকারের উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা চলছে।
বগুড়াকে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু বিএনপির সাথে পাল্লা দিয়ে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামের নেতা কর্মিরাও সক্রিয়। তারা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে ব্যস্ত আছেন, বিশেষ করে জামায়াতের মহিলা শাখার নেতৃবৃন্দ নানা কৌশলে জনসংযোগ করছেন।
অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না। এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ এবং ১৪ দলের নেতাকর্মীরা ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। এই ঘোষণার ফলে পতিত আওয়ামী লীগ সমর্থকরাও গোপনে মাঠ প্রস্তুত করতে শুরু করেছে।
বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফ্তুন্ন আহম্মেদ খান রুবেল বলেন, বিএনপি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। আমাদের সংগঠন তৃণমূল পর্যন্ত সাজানো আছে। কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা পেলে যে কোনো সময় বগুড়ার নতুন সহ ১৩টি উপজেলায় দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত রয়েছি। নির্দেশনা পেলে আমি নিজেও নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত আছি।
বগুড়া জেলার অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা মোছাঃ আছিয়া খাতুন জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ঘোষণার জন্য জেলা নির্বাচন অফিস প্রস্তুত রয়েছে। আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিতে কাজ করে যাচ্ছি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন