প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন সংঘর্ষ শুরু হওয়ায়, গত মাসে দুই পক্ষের মধ্যে হওয়া অন্তর্বর্তী সমঝোতা চাপে পড়েছে। এর ফলস্বরূপ, ইরান লেবাননে চলমান যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানিয়েছে।
তবে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে লড়াই আবারও শুরু হয়।
গত মাসে, ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আলোচনার পর, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায়, ইসরায়েল ও লেবানন একটি শান্তি কাঠামোয় সম্মত হয়। কিন্তু তারপরও ইসরায়েলি বাহিনীর প্রাণঘাতী হামলা অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া, হিজবুল্লাহ ওই চুক্তি এবং তাদের নিরস্ত্র করার উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
এই অস্থির পরিস্থিতিতে, মঙ্গলবার ইতালির রাজধানী রোমে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে, লেবানন ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিরা আবারও আলোচনায় বসেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
দক্ষিণ লেবাননের দুটি পরীক্ষামূলক অঞ্চল নিয়ে সমঝোতা বাস্তবায়নে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন, ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার। ইতালির রোমে চলমান আলোচনা এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়ক হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
এই আলোচনার কেন্দ্রে একটি পরীক্ষামূলক অঞ্চল পরিকল্পনার বিষয়টি রয়েছে।
এর আওতায় ধাপে ধাপে হিজবুল্লাহ অস্ত্র সমর্পণ করবে, পাশাপাশি ইসরায়েলি বাহিনী সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে সরে যাবে এবং সেখানে পদে পদে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে।
কিন্তু, খুব দ্রুত কোনো সমাধান আসবে—এমন প্রত্যাশা কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মধ্যে কম বলেই মনে করা হচ্ছে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা জানান, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড লেবানন ও ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।
এমনকি এখন ইসরায়েলি বাহিনী সীমান্তজুড়ে লেবাননের ভেতরে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে একটি তথাকথিত ‘বাফার জোন’ দখল করে রেখেছে। ইসরায়েলের দাবি, উত্তরাঞ্চলের বসতিগুলোকে হিজবুল্লাহর হামলা থেকে সুরক্ষা দিতেই এই নিরাপত্তা অঞ্চল বজায় রাখা প্রয়োজন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন