প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাসিন্দাদের গণভোটের ফলাফলের পর হামবুর্গ ২০৩৬, ২০৪০ এবং ২০৪৪ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক আয়োজনের প্রতিযোগিতা থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে। বার্লিন, মিউনিখ এবং রাইন-রুর অঞ্চলের পাশাপাশি হামবুর্গও জার্মান অলিম্পিক ফেডারেশনের (ডিওএসবি) গেমস আয়োজনের জন্য নির্বাচিত হতে আবেদনকারী চারটি শহর বা অঞ্চলের মধ্যে অন্যতম ছিল।
স্থানীয় সময় রবিবার (৩১ মে) শহরের কর্মকর্তারা একটি ইতিবাচক ফলাফলের মাধ্যমে জনসমর্থন তুলে ধরার আশা করেছিলেন। ৯৮ শতাংশ ব্যালট গণনা শেষে দেখা গেছে ৪৫ শতাংশ পক্ষে ভোট দেওয়ার বিপরীতে ৫৫ শতাংশ ভোটার এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। এই গণভোটে প্রায় ৫০ শতাংশ যোগ্য ভোটার তাদের ভোট দিয়েছেন।
এক দশকের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার হামবুর্গের ভোটাররা অলিম্পিক আয়োজনের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত নিলেন। ২০১৫ সালে ৫১.৪ শতাংশ ভোটার ২০২৪ সালের গেমস আয়োজনের একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
ফলাফল ঘোষণার পর হামবুর্গের মেয়র পিটার চেঞ্চার নিশ্চিত করেছেন, তিনি ডিওএসবি এবং আইওসি-কে জানিয়েছেন আয়োজক হওয়ার আবেদনটি প্রত্যাহার করা হবে। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, অনেক নাগরিক যারা গেমসের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন, তারা গণভোটের ফলাফলে হতাশ হয়েছেন। আমিও ভোটের ফলাফল নিয়ে গভীরভাবে দুঃখিত। তবে যারা হামবুর্গে গেমস আয়োজনের লক্ষ্যকে সমর্থন করেছেন, তাদের সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে জার্মান অলিম্পিক ফেডারেশনের (ডিওএসবি) বার্লিন, মিউনিখ এবং রাইন-রুর এর মধ্যে সম্ভাব্য আয়োজক হিসেবে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি)-র কাছে প্রস্তাব পাঠাবে।
এর আগে গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত একটি গণভোটে মিউনিখের ভোটাররা বাভারিয়ার রাজধানীতে গেমস আয়োজনের পক্ষে জোরালো সমর্থন জানিয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে ৬৬.৪ শতাংশ পক্ষে ভোট দেন। মিউনিখে ৪২ শতাংশ যোগ্য ভোটার তাদের ভোট প্রদান করেন।
অন্যদিকে এপ্রিলের নির্বাচনে রাইন-রুর অঞ্চলের ৬৬ শতাংশ ভোটার আয়োজক হওয়ার আবেদনের পক্ষে ভোট দেন, যেখানে ৩৩ শতাংশ যোগ্য ভোটার তাদের ভোট প্রদান করেন। উত্তরের শহর কিয়েল যারা জার্মান বিডের অংশ হিসেবে পালতোলা নৌকার প্রতিযোগিতা আয়োজন করার আশা করছে। সেখানকার ৬৩.৫ শতাংশ ভোটার এই প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন