প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মোংলার কর্মচঞ্চলতা ও আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে ব্যাপক গতির সঞ্চার ঘটেছে সময়ের ব্যবধানে। চলতি অর্থবছরে, বাণিজ্যিক জাহাজের আগমন এবং পণ্য খালাসের পরিমাণ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে, কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ও রিকন্ডিশন গাড়ি আমদানিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ বড় ধরনের সফলতা দেখিয়েছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ট্রাফিক ও জনসংযোগ দফতর থেকে দেয়া তথ্যে এ বিষয়গুলো জানিয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজ পুরোপুরি শেষ হলে মোংলা বন্দর বিশ্ব বাণিজ্যের একটি অত্যাধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের বন্দরে রূপান্তরিত হবে।
তথ্য অনুসারে, চলতি অর্থবছরে মোংলা বন্দরে মোট ৪৫টি কন্টেইনারবাহী জাহাজ নোঙর করেছে। এসব জাহাজ থেকে মোট ২৮ হাজার ২৪১ টিইইউজ কন্টেইনার সফলভাবে হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের পাশাপাশি এ বন্দরে গাড়ি আমাদানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে, বন্দরে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোট ১০ হাজার ৮৮০টি রিকন্ডিশন গাড়ি খালাস করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি দেশের অটোমোবাইল বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এছাড়া, মোংলা বন্দরে এ পর্যন্ত ১ কোটি ১৭ লাখ ৪৬ হাজার ৫৩৬ মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের সাধারণ কার্গো ও বাণিজ্যিক পণ্য সফলভাবে খালাস করা সম্ভব হয়েছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব কালাচাঁদ সিংহ বলেন, ‘পশুর চ্যানেলের নিয়মিত ড্রেজিং ও নাব্যতা বৃদ্ধির ফলে এখন অধিক ড্রাফটের বড় বড় বিদেশি জাহাজ সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারছে। সেই সাথে ব্যবসায়ী-বান্ধব পরিবেশ ও আধুনিক অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার কারণে দেশি-বিদেশি আমদানিকারকরা এখন মোংলা বন্দর ব্যবহারে আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিত করা এবং আধুনিক টার্মিনাল ও অটোমেশন ব্যবস্থার পূর্ণ বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামীতে এই বন্দরের রাজস্ব আয় ও পণ্য হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা আরও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন