প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাদক কারবারি ও মাদকসেবিদের কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-২০ ধামরাই আসনের সংসদ সদস্য মো: তমিজ উদ্দিন।
তিনি রবিবার(৫ জুলাই) ধামরাই থানা আয়োজিত মাদক সন্ত্রাস চাঁদাবাজ কিশোর অপরাধ, নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে কমিউনিটি পুলিশিং এর সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে মতবিনিময় ও পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, অপরাধী সে যেই হোক তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেভাবে পুরো বাংলাদেশকে সুন্দর নিরাপদ বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন- আমরাও সেই ভাবে ধামরাইকে একটি সুন্দর ও নিরাপদ ধামরাই হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থার মাধ্যমে অপরাধ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
এক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশের সাথে যদি জন সংযোগ না থাকে তাহলে সমাজ থেকে মাদক, জুয়াসহ সকল অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব নয়। শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরকে আমাদের সকলেরই সহযোগিতা করতে হবে। সেই জন্য কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
এ অনুষ্ঠানের সভাপতি ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, অপরাধী কোন রাজনৈতিক দলের নয়, কোন সংগঠনের কর্মী নয়। তাদের জন্য কোন প্রকার তদবির চলবে না। কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য ও অন্যান্যদের উপস্থিতিতে তিনি বলেন, আপনাদের সার্বিক সহযোগিতায় অপরাধ দমন করা সম্ভব হবে।
এছাড়াও তিনি বলেন, কোন পুলিশ সদস্য যদি অপরাধের সাথে জড়িত থাকে আমাকে সরাসরি বলবেন, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) রাকিবুল হাসান ইশানের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) জাহাঙ্গীর আলম, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান অভি, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম, দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সাংবাদিক আনিস উর রহমান স্বপন, বাংলাভিশন টেলিভিশনের সাংবাদিক লোকমান হোসেন, সোমভাগ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রুস্তম, কুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহজাহান প্রমুখ।
এ সময় ১৬ টি ইউনিয়নের কমিউনিটি পুলিশের সদস্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে থানা চত্বরে নবনির্মিত পুলিশ ব্যারকের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন