প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার একটি ঘটনায় চোর আটককে কেন্দ্রে করে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় বাড়িঘর ভাঙচুর করার পাশাপাশি নারীসহ মোট ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের অধ্যাপক স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
এই সংঘর্ষের ঘটনা বুধবার (২৪ জুন) রাতে উপজেলার ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামে ঘটে।
জানা যায়, উপজেলার ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামে মাদক প্রতিরোধ কমিটির সদস্যরা ব্যাটারি চুরির অভিযোগে উপজেলার কাঠি গ্রামের মোরসালিন মিয়া, চিতশী গ্রামের রাসেল দাড়িয়া ও ঘাঘরকান্দা গ্রামের আব্দুল্লাহ দাড়িয়াকে আটক করে তাদের অফিসে রাখা হয়।
এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কাঠিগ্রামের চিতশীর গ্রামের লোকজন এসে মাদক প্রতিরোধ কমিটির অফিসে ভাঙচুর চালায় এবং ঐ তিন চোরকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জসিম মোল্লা বলেন, "আমাদের বেপারীপাড়া গ্রামের এক ব্যক্তির গাড়ি থেকে মোরসালিন, রাসেল ও আব্দুল্লাহ মিলে গাড়ির ব্যাটারি চুরি করে বিক্রি করে দেয়।"
তিনি আরো জানান, "এ খবর জানার পরে আমরা এই ৩ চোরকে আটক করে আমাদের অফিসে রেখে পুলিশকে খবর দিই।"
এর পর, কাঠিগ্রামের লোকজন এসে আমাদের ওপর হামলা করে, মারধর করে এবং আমাদের অফিস ও ঘরের ভাঙচুর করে। ওই সময় নারীসহ ২০ জন আহত হয়। গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছে ওহাব গাজী (৬০), জালাল গাজী (৪৫), খলিল গাজী (৪৮), আরিফুল গাজী (৩০), জলিল গাজী (৪৬), ছনিয়া খানম (১৯), মাজেদা বেগম (৪৫), হান্নান বরকতউল্লাহ (৫৫), মুকুল মুন্সী (৪৮), অলি বরকতউল্লাহ (৩৫), তাওসীন বরকতউল্লাহ, হানিফ শেখ (৪৫), হাবিব মুন্সী (৪২), এবং জাহিদুল বরকতউল্লাহকে (৩৮) উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
কাঠিগ্রামের ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, "আমরা কাউকে মারধর করিনি। আমাদের লোকজনকে মাদক প্রতিরোধ কমিটির লোকজন মারধর করে আহত করেছে।"
কোটালীপাড়া থানার ওসি মো. রিয়াদ মাহমুদ বলেন, "এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন