প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বাহিনীর বিরুদ্ধে ইরানের পক্ষে রাশিয়া, চীন ও তুরস্ক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকলেও, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, তিনি তা থামান।
ওয়াশিংটনে গণমাধ্যমের সামনে মধ্যপ্রাচ্যের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সময়, বিশ্বের তিনটি শক্তিশালী রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও সফল কূটনীতির কথা তুলে ধরেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
তিনি জানান, পরাশক্তি রাশিয়া, চীন ও তুরস্কের নিরপেক্ষ থাকার সিদ্ধান্তকে তিনি অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
ট্রাম্প উল্লেখ করেন, এই শক্তিশালী তিন দেশের যুদ্ধ থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকার বিষয়টিকে তিনি অবিশ্বাস্য ও চমকপ্রদ এক কূটনৈতিক ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেন।
তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে জানান যে, ইরান সংকটের সময়ে এই তিন দেশের নিরপেক্ষ অবস্থান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছে। এই দেশগুলোর অসামরিক ও দূরদর্শী মনোভাবের জন্য তিনি তাদের নেতৃত্বের প্রতি বিশেষ মূল্যায়ন জ্ঞাপন করেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রথমে তুরস্কের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এই যুদ্ধ থেকে নিজেকে পুরোপুরি দূরে রেখেছিলেন। তিনি ইরানের পক্ষে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য সবচেয়ে বড় দাবিদার ছিলেন, কারণ আপনারা জানেন, তিনি ইসরায়েলকে পছন্দ করেন না।
আমি তাকে এই সংঘাত থেকে দূরে থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছিলাম, এবং তিনি আমার সেই অনুরোধ রেখেছেন।’
এরদোয়ানকে তিনি একজন শক্তিশালী ও চমৎকার সামরিক দূরদর্শিতাসম্পন্ন নেতা হিসেবেও অভিহিত করেন।
এছাড়া, চীন ও রাশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানদের প্রতিও তিনি নিজের সন্তোষ প্রকাশ করেন।
চীনের প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনারা কি জানেন, এই সময়ে আর কে সবচেয়ে দুর্দান্ত ভূমিকা পালন করেছেন? তিনি হলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিনি চাইলে এই যুদ্ধে অংশ নিতে পারতেন, কারণ তার দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় অর্ধেক অংশই আসে মধ্যপ্রাচ্যের ওই অঞ্চল থেকে।
আমি তার অর্থনৈতিক স্বার্থের কথা চিন্তা করে তাকে এই যুদ্ধ থেকে দূরে থাকার জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছিলাম এবং তিনিও সেই অনুরোধ রক্ষা করেছেন।’
রুশ ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও এই বড় সংঘাত থেকে তার সামরিক বাহিনীকে পুরোপুরি সরিয়ে রেখেছিলেন বলে জানান ট্রাম্প।
তিনি বলেন, ‘পুতিনও এই যুদ্ধ থেকে দূরে ছিলেন। তবে বাস্তবিকভাবে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে বলতে হয় যে, পুতিনের এই মুহূর্তে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। তবে মূল কথা হলো, তারা সবাই এই যুদ্ধ থেকে পুরোপুরি বাইরের ছিল, যা সত্যিই বেশ দারুণ এবং আশ্চর্যজনক।’
সূত্র: তাস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন