প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্ৰণালি ঘিরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বর্তমানে তুঙ্গে অবস্থান করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে না। এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, "যুক্তরাষ্ট্রই আলোচনার জন্য অনুনয় করছে।" এছাড়াও, তেহরান ঘোষণা দিয়েছে যে, শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলবে না।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দাবি অনুযায়ী, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে। একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে দেশের জলসীমার বাইরে, অন্যটি পড়েছে জলসীমার ভেতরে।
সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং আলোচনা সম্পর্কে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যও শোনা যাচ্ছে। একদিন আগে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের সঙ্গে ব্যাকচ্যানেল যোগাযোগের দাবি করা হলেও, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা হচ্ছে না এবং আলোচনার কোনো সূচিও নেই।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আবারো উল্লেখ করেছেন, "আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই অনুনয় করছে।" ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিকে 'নিউ ইউএস টেরিটরি' দেখানো ছবি পোস্ট করে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছেন।
হরমুজ খুলতে তেহরানের শর্ত স্পষ্ট করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তার মতে, মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, জব্দ করা সম্পদ ছাড়, তেল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং সামরিক অভিযান ও হুমকি বন্ধ না হলে প্রণালি খোলা হবে না। এর মধ্যেই বিশ্বের বাজারে তেলের দাম জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠতে ইরান ও ওমানের মধ্যে আলাদা আলোচনা চলছে। হরমুজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা আবারও শুরু করা সহজ হবে বলে কাতার সূত্রে জানানো হয়েছে। আঞ্চলিক সূত্রের মতে, পাকিস্তানের মাধ্যমেও ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরোক্ষ যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন