প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
র্যাবের এবং ডিজিএফআইয়ের বন্দিশালা তথা আয়নাঘর পরিদর্শনে যাবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর তিন বিচারক। আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ডিজিএফআইয়ের জেআইসি (জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল) এবং র্যাবের টিএফআই (টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন) সেলের বন্দিশালা পরিদর্শন করবেন ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি ও বিচারকেরা। সে সময় ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ) এবং ডিফেন্সের লোকসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় লোকজন উপস্থিত থাকতে পারেন।
পরে এ প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে বাংলাদেশে অনেক গুমের ঘটনা ঘটেছে। গুমের শিকার ব্যক্তিদের নিয়ে বিভিন্ন আয়নাঘরে রাখা হতো, যা জেআইসি অথবা টিএফআই সেল হিসেবে পরিচিত। এর মধ্যে র্যাব-১ এ টিএফআই সেল, কচুক্ষেতে ডিজিএফআইয়ের সদর দপ্তরে জেআইসি এবং ডিবি কার্যালয়ে বেশ কিছু আয়নাঘরের সন্ধান রয়েছে।
মামলার স্বার্থে এসব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে পারেন ট্রাইব্যুনাল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা একটি আবেদন করেছি। আবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে ট্রাইব্যুনাল-১ সম্মতি জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন চিফ প্রসিকিউটর।
তিনি জানান, যেকোনো সময় দিন-তারিখ দেবেন ট্রাইব্যুনাল। পরিদর্শনের ক্ষেত্রে প্রসিকিউশনকে তারা নোটিশ করতে পারেন। এরপরই যৌথভাবে পরিদর্শন কার্যটি সম্পন্ন হবে।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জেআইসি এবং টিএফআই সেলে গুম করার ঘটনায় সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তাদের বিচার চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন