প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কেবিন ক্রুদের ধর্মঘটের কারণে ফ্রান্সে ব্রিটিশ এয়ারলাইন ইজিজেট প্রায় ১০০টি ফ্লাইট বাতিল করেছে।
কর্মীদের ডিউটি ও সময়সূচিতে বারবার পরিবর্তনের প্রতিবাদে এই ধর্মঘট চলছে।
শনিবার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইউনিয়নগুলোর দাবি, ফ্রান্সে ইজিজেটের প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ কেবিন ক্রুর মধ্যে অর্ধেকের মতো এই ধর্মঘটে অংশ নিচ্ছেন। এর ফলে প্যারিসের দু’টি বিমানবন্দর, নিস, বোর্দো ও লিয়ন থেকে পরিচালিত প্রায় অর্ধেক ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ইজিজেট ধর্মঘটকে ‘সুযোগসন্ধানী’ আখ্যা দিয়েছে, কারণ ফ্রান্সের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ছুটির সপ্তাহান্তে সাধারণত বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীদের ভীড় থাকে।
ফ্রান্স ইজিজেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাজার। সম্প্রতি মার্কিন প্রাইভেট-ইকুইটি প্রতিষ্ঠান অ্যাপোলো ৭৭০ কোটি ডলারের চুক্তিতে ইজিজেটের মালিকানা নিয়েছে। ফ্রান্সে যাত্রীসংখ্যার দিক থেকে ইজিজেটের অবস্থান এয়ার ফ্রান্সের পরেই।
ইজিজেট জানায়, যাত্রীদের বিকল্প পথে গন্তব্যে পৌঁছানোর সুযোগ করে দিতে বেশিরভাগ ফ্লাইট শুক্রবারই বাতিল করা হয়েছে।
কেবিন ক্রুদের ইউনিয়ন এসএনপিএনসি-এফও-এর নেতা উইলিয়াম বুর্দোঁ বলেন, কর্মীরা তাঁদের ডিউটিতে ‘স্থিতিশীলতা’ চান। তাঁর দাবি, কোনো কোনো কর্মীর কাজের সময় ও গন্তব্য সপ্তাহে ৫০ থেকে ৬০ বার পর্যন্ত পরিবর্তন করা হয়।
তিনি এএফপিকে বলেন, ‘ব্যক্তিগত জীবন বা সন্তানদের দেখাশোনার মতো বিষয়গুলো পরিকল্পনা করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে, কারণ বেশিরভাগ পরিবর্তনই শেষ মুহূর্তে ফ্লাইটের ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা আগে জানানো হয়।’
আলোচনায় থাকা তিনটি ইউনিয়ন ৭ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে।
বুর্দোঁ জানান, কোনো বিমানবন্দরে ইজিজেটের কর্মী সংকট দেখা দিলে অন্য ঘাঁটি থেকে কর্মী এনে ঘাটতি পূরণ করা হয়। এতে আবার ওই ঘাঁটিতেও কর্মী সংকট তৈরি হয়।
এপ্রিলে হওয়া আগের ধর্মঘটে তুলনামূলকভাবে সীমিত প্রভাব পড়েছিল। ইউনিয়নগুলোর অভিযোগ ছিল, ওই ধর্মঘটের দিন কাজে যোগ দিতে কর্মীদের ৭০০ ইউরো (প্রায় ৮১০ ডলার) পর্যন্ত বোনাস দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল ইজিজেট।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন