প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার মাগুরা দাখিল মাদরাসা থেকে এ বছর দাখিল (এসএসসি সমমান) পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৯ শিক্ষার্থী কোনো কারণে পাস করতে পারেনি। মাদরাসাটিতে ১৯ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১৭ জন শিক্ষক রয়েছেন।
তবুও শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করায়, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, যে মাদরাসাটির শিক্ষকদের পাঠদানে গাফিলতি রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ১০ বছর ধরে মাদরাসাটির দাখিল পরীক্ষার ফলাফল ভাল নয়। শিক্ষকরা নিয়মিত মাদরাসায় উপস্থিত না থাকায়, পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এই কারণে দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসাটিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমে যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৯৭৫ সালে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ২০০১ সালে এটি এমপিওভুক্ত হয়। তবে এমপিওভুক্ত হওয়ার পরেও মাদরাসাটিতে অবকাঠামোগত সংকট রয়েছে। যথেষ্ট শ্রেণিকক্ষের অভাব রয়েছে।
এছাড়া মাদরাসাটি চলনবিলের প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত এবং উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৮-৯ কিলোমিটার দূরে হওয়ায়, শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে অভিযোগ রয়েছে।
বর্তমানে মাদরাসাটিতে ১৭ জন শিক্ষক এবং চারজন কর্মচারী কর্মরত আছেন। এ বছরের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় মাত্র ১৯ জন শিক্ষার্থী। তাদের কেউই পাস করতে পারেনি।
গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, ‘মাদরাসার শিক্ষকরা সঠিকভাবে পড়ান না। তাঁরা নিয়মিত আসেন না। শুধু বেতন তোলেন। এ কারণে এলাকার সচেতন অভিভাবকেরা তাঁদের সন্তানদের এই মাদরাসায় দিতে চান না। গত ১০ বছর ধরে এখানে শিক্ষার্থী সংখ্যা কম এবং ফলাফলও খারাপ।’
অভিযোগ করা হয়েছে মাদরাসার সুপার জাকির হোসাইন জানিয়েছেন, ‘গ্রামের ছেলেপেলে ঠিকমতো পড়ে না। তাই ফলাফল খারাপ হয়েছে। মাফ চাই। নিউজ কইরেন না।’
ভাঙ্গুড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘ওই মাদরাসায় ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখা হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন