প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) বাংলাদেশির চিফ অব মিশন ড. লরা টম্ বনদ বলেছেন, অভিবাসন যদি নিরাপদ, নিয়মিত এবং সুশৃঙ্খল হয়, তাহলে এর সুফল কেবল একক অভিবাসীর জন্যই নয় বরং পরিবার, সমাজ এবং বাংলাদেশের বৃহত্তর উন্নয়নের ক্ষেত্রেও পৌঁছাতে পারে। প্রতিটি রেমিট্যান্স, যা বাংলাদেশি অভিবাসীদের কঠোর পরিশ্রম, সহনশীলতা ও প্রতিশ্রুতির প্রমাণ বহন করে।
তিনি আরো বলেন, রেমিট্যান্সের একটি অংশ যেহেতু এসএমই-তে বিনিয়োগ করা হয়, তাই এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম। বাংলাদেশে অভিবাসন ব্যবস্থাপনার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং অভিবাসীদের সুরক্ষার জন্য আইওএম সরকারকে নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) এফডিসিতে আন্তর্জাতিক পারিবারিক রেমিট্যান্স দিবস—২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন ড. লরা টম্ বনদ এসব কথা বলেন।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বাংলাদেশ যৌথভাবে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করে। ছায়া সংসদে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। স্বাগত বক্তব্য দেন আইওএম বাংলাদেশের অভিবাসননীতি ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ড. ঈশিতা শ্রুতি।
সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, অভিবাসীদের রেমিট্যান্সের কারণে দেশের অর্থনীতির দৃশ্যমান উন্নতি ঘটছে।
তাদের প্রেরিত অর্থ বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। রেমিট্যান্স যোদ্ধারাই দেশের রিয়েল হিরো। অর্থনৈতিক চালিকাশক্তির নায়ক হচ্ছে তারা। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করতে রেমিট্যান্স স্থানীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশে কর্মক্ষম জনশক্তির প্রায় ২৫ শতাংশের কর্মসংস্থান হয় অভিবাসনের মাধ্যমে। আলাদাভাবে, বৈদেশিক কর্মসংস্থান না থাকলে দেশের দরিদ্রতার হার আরো ১০ শতাংশ বেড়ে যেতে পারত। রেমিট্যান্সের কারণে অভিবাসী ভাই-বোনদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তারা দরিদ্রতা থেকে মুক্ত হতে পারে। এখন পরবর্তী সময় এসেছে, রেমিট্যান্সের অর্থের ব্যবহার শুধুমাত্র ভোগে ব্যয় না করে নিজের এবং পরিবারের সুরক্ষায় যথাযথ খাতে বিনিয়োগ করার। এসএমই খাতে রেমিট্যান্সের বিনিয়োগ অভিবাসী পরিবারের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সাহায্য করবে।
‘এসএমই খাতে রেমিট্যান্সের বিনিয়োগ অভিবাসী পরিবারের সুরক্ষায় সর্বোত্তম কৌশল’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বিতার্কিকদের পরাজিত করে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা বিজয়ী হন।
প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন—ড. এস এম মোর্শেদ, সাংবাদিক দৌলত আক্তার মালা, সাংবাদিক মাঈনুল আলম, সাংবাদিক ফারুক মেহেদী এবং সাংবাদিক আহমেদ রেজা। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন