প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তিতে গাজাকে অন্তর্ভুক্ত না করা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন উপত্যকার বাস্তুচ্যুত বাসিন্দারা।গাজার বাসিন্দারা জানান, এই সমঝোতা যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় স্বস্তি ফেরাবে বলে মনে করেছিলেন অনেকে, কিন্তু চুক্তি থেকে বাদ পড়ার ফলে অনিশ্চয়তা আরও গভীর হয়ে উঠেছে। একইসঙ্গে ইসরাইলের চুক্তি-বিরোধী অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তিতে গাজা যেন একটি নীরব আর্তনাদ, যেখানে যুদ্ধবিরতি কেবল আলোচনার টেবিলে শোভা পাচ্ছে, আর গাজার নির্মম বাস্তবতা রক্তপাত নিয়ে বিদ্ধস্থ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে গাজাকে অন্তর্ভুক্ত না করা নিয়ে হতাশার পেরেক আরও গভীরভাবে ঠুকেছে।
ধ্বংসস্তূপে এবং বাস্তুচ্যুত অবস্থায় বাসিন্দারা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। তাদের মধ্যে অনেকেই আশা করেছিলেন যে এই সমঝোতা তাদের ঘরে ফিরে যাওয়ার পথ খুলে দেবে। কিন্তু চুক্তিতে বিষয়টি উল্লেখ না থাকায় হতাশা তাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।
বাসিন্দারা বলছেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম এই চুক্তির পর আমরা ঘরে ফিরতে পারব, তবে আমরা হতাশ হয়েছি। এই চুক্তিতে গাজাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।’
বাসিন্দারা আরও জানান, দীর্ঘ যুদ্ধ এবং সংকটে তারা চরমভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর না পাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। তাদের বক্তব্য, ‘আমরা রাস্তায় বাস করছি, এই অবস্থায় আর সহ্য করতে পারছি না। সবাই আমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।’
এদিকে, ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ জানান, দক্ষিণ লেবানন, গাজা এবং সিরিয়ার নিরাপত্তা অঞ্চলে নিজেদের অবস্থান থেকে সরবে না সেনারা। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন