প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙন ও নদীতীর থেকে ইটভাটার জন্য মাটি কাটার প্রতিবাদে বরিশালের হিজলা উপজেলার সাত গ্রামের হাজারো মানুষ মানববন্ধন করেছেন। তারা নদীভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।
মঙ্গলবার (২ জুন) উপজেলার হিজলা-গৌরাব্দী ইউনিয়নের মান্দ্রা তর চর কুশরিয়া গ্রামে মেঘনা নদীর তীরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খোকন দপ্তরী, হিজলা-গৌরাব্দী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান জমাদ্দার, সালাহউদ্দিন রিমন দেওয়ান, গিয়াস দেওয়ান, মাওলানা শিবলী নোমান, ইউপি সদস্যhibe বাবেয়া বশরী তন্বী এবং ধুলখোলা ইউনিয়নের সদস্য রতন রাঢ়ীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৮০ বছর বয়সী হযরত আলী খা বলেন, "মেঘনার অব্যাহত ভাঙন এবং নদীতীর থেকে মাটি কাটার কারণে গত কয়েক বছরে বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে হাজারো পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে।"
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল জাহের মোল্লা অভিযোগ করেন, "রাত হলেই ভেকু মেশিন দিয়ে ইটভাটার জন্য নদীর তীর থেকে মাটি কাটা হয়। ভোর পর্যন্ত চলে এ কার্যক্রম। ফলে ভাঙনের গতি আরও বেড়ে যাচ্ছে।" ইতোমধ্যে পূর্ব মান্দ্রা, মান্দ্রা চর কুশরিয়া, মান্দ্রা তর চর কুশরিয়া, কাকরিয়া, শাওড়া, শাওড়া সৈয়দখালী ও ওরাকুল গ্রামের বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, নদীভাঙনের কারণে অনেক পরিবার তাদের বসতভিটা হারিয়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। জীবিকা ও আশ্রয় হারিয়ে অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন