প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জনপ্রশাসন সংক্রান্ত পে কমিশনের সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করে নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে। আজ বুধবার পে স্কেল বাস্তবায়নের রূপরেখা ও বাস্তবায়নে সচিব কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত এসেছে।
সভা সূত্রের খবর অনুযায়ী, সভায় পে কমিশনের জনপ্রশাসন সংক্রান্ত সুপারিশ চূড়ান্ত হলেও বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর সুপারিশ নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়নি। এই দুই সংস্থার বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে।
তবে, কত শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পাবে এবং কয় ধাপে তা বাড়বে—এসব বিষয়ে গণমাধ্যমের সামনে কিছুই বলতে রাজি হননি উপস্থিত সদস্যরা। এদিকে এলপিআর ভোগরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নবম পে স্কেলের আওতায় আসার কথা জানিয়েছেন একটি সূত্র।
সরকার নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে এটি ধাপে ধাপে কার্যকর হবে। জুলাই মাস থেকে পে স্কেল বাস্তবায়ন শুরু হবে, কিন্তু নতুন বর্ধিত বেতনের অর্থ পেতে অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।
নবম জাতীয় পে স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির ডাকা গুরুত্বপূর্ণ সভা শেষ হয়েছে। সভায় বেসিকের কত শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেটি তাৎক্ষণিকভাবে বলা সম্ভব হয়নি। বুধবার (২৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সচিব কমিটির সভায় পে কমিশনের জনপ্রশাসন সংক্রান্ত সুপারিশ চূড়ান্ত হলেও বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর সুপারিশ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এই দুই সংস্থার প্রস্তাবনাও শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে।
এ জন্য আরো একটি সভা হতে পারে। সরকার জানিয়েছে, নবম জাতীয় পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেসিকের কত শতাংশ আগামী অর্থবছর থেকে বৃদ্ধি পাবে, তা নিশ্চিত না হলেও তিনটি বিকল্প নিয়ে কাজ করছে। সচিব কমিটির প্রথম প্রস্তাবনায় মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির কথা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ এবং ১০ম-২০তম গ্রেডের জন্য ৬০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি হতে পারে। আরেকটি বিকল্প হিসেবে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেসিক শতভাগ বৃদ্ধির চিন্তাভাবনাও করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন