প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খুলনার কয়রায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় এক প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক বসতবাড়ী ভাঙচুর ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (৪ অক্টোবর) বিকাল ৩ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক লিখিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগটি তুলে ধরেন ভুক্তভোগী বিল্লাল হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ২নং কয়রা গ্রামের বাসিন্দা মজিবার রহমান শেখের পুক্র বিল্লাল হোসেন জানান, রবিবার সকাল ৭ টার দিকে একই গ্রামের মোহাম্মদ বাউলিয়ার ছেলে আরাফাত হোসেন ও হুদা গাইনের ছেলে মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দুর্বৃত্তদল বেআইনিভাবে তাদের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে। তারা কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাণ্ডব চালিয়ে তাদের বসতঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় এবং জোরপূর্বক জমি দখল করে নেয়।
ভুক্তভোগী আরও জানান, ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পর অভিযুক্তরা সেখানে অবৈধভাবে নতুন ঘর তুলে দখলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, বিতর্কিত জমির বিষয়ে ইতিপূর্বে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টে নিলাম রোধের মামলা এবং কয়রা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে উচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলা চলমান রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তরা দেশের প্রচলিত আইন অমান্য করে এই দখলদারিত্ব চালিয়েছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, এরা এলাকায় ‘ভূমিদস্যু’ হিসেবে পরিচিত এবং আইনকানুনের তোয়াক্কা না করে সাধারণ মানুষের সম্পদ আত্মসাৎ করে আসছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী বিল্লাহ হোসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও অফিসার ইনচার্জ কয়রা থানা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বেআইনিভাবে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও উচ্ছেদের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জমি উদ্ধারে প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এ সময় উপস্থিত সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত চিত্র দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার আকুল আবেদন জানানো হয়। অভিযোগের পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন