প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এখন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দীর্ঘ প্রতীক্ষিত শেষকৃত্য উপলক্ষে রাজধানী তেহরানজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার ভোর থেকেই শহরের মোড়ে মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। রাস্তায় টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনীর গাড়ি। এর পাশাপাশি, রাস্তার পাশে নানা পোস্টার ও স্টলও চোখে পড়ছে।
নিরাপত্তা এবং বিশাল জনসমাগমের বিষয়টি মাথায় রেখে, শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত তেহরানের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিস বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থলে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এর সাথে, আগামী শুক্রবার তেহরানের আকাশপথ আংশিক এবং সোমবার পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।
খামেনি ৩৬ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ líder ছিলেন। তাঁর মরদেহ ইতিমধ্যে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে পৌঁছে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই শেষকৃত্যে প্রায় ২ কোটি মানুষ অংশ নেবেন। এটি ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জানাজা হতে চলেছে। এই আয়োজনের জন্য তেহরান, কওম এবং মাশহাদ শহরে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
বিদেশি সামরিক হামলার বিরুদ্ধে জাতীয় শক্তি, ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা এবং ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ৬ দিনব্যাপী এই শেষকৃত্যের আয়োজন করেছে কর্তৃপক্ষ। তেহরানের পর কওম এবং মাশহাদে শেষকৃত্যের পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা চলবে। শেষে খামেনিকে তাঁর জন্মস্থানে মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারে দাফন করা হবে।
উল্লেখযোগ্য যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রথম দিনের হামলায় খামেনি নিহত হন। ওই হামলায় তাঁর মেয়ে, নাতনি, জামাতা এবং পুত্রবধূও নিহত হন। এ ছাড়া, ওই দিন ইরানের আরও বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাও নিহত হন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন