প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কাতারে আটকে থাকা তহবিলের একটি অংশ দেশের প্রয়োজনীয় পণ্য কেনায় ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বুধবার বলেন, দোহায় অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান।
যুদ্ধ বন্ধে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ফলে ওয়াশিংটন এখন ইরানের জব্দ করা সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ দিতে সম্মত হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির রিপোর্ট অনুযায়ী, অর্থ ছাড় এবং তা ব্যবহারের প্রক্রিয়া বিষয়ে এখনো কিছু স্পষ্ট নয়।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানায়, গারিবাবাদি বলেছেন, ‘কাতারের কর্মকর্তাদের, বিশেষ করে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠকে প্রাথমিক ছয় বিলিয়ন ডলারের একটি অংশ ব্যয়ের বিষয়ে কয়েকটি বিষয় পর্যালোচনা করা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ‘আমাদের দেশের জানানো প্রয়োজনের ভিত্তিতে পণ্য কেনা হবে এবং তা ইরানের জন্য সরবরাহ করা হবে বলে সম্মত হয়েছে।’
গারিবাবাদি যে অর্থের কথা উল্লেখ করেছেন, সেটি ২০২৩ সাল থেকে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কাতারের সীমিত ব্যবহারের হিসাবগুলোতে স্থানান্তর করা ইরানের তেল বিক্রির আয়ের একটি অংশ।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই গত মাসে বলেছেন, অবমুক্ত হওয়া অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে তেহরান নেবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহের জন্য ইরান ওই অর্থ নিজের বিবেচনায় অবাধে ব্যবহার করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জুন মাসে বলেন, চুক্তির আওতায় সেই অর্থ অবমুক্ত হয়নি। তবে অবমুক্ত হলে পুরো প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের অনুমোদন থাকবে।
তিনি ইঙ্গিত দেন যে, ওই অর্থ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য কেনা হতে পারে, বিশেষ করে সয়াবিনসহ কৃষিপণ্য।
এদিকে, ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ মঙ্গলবার এ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেন।
তিনি জানান, ইরানের ২৪ বিলিয়ন ডলারের জব্দ সম্পদের মধ্যে ১২ বিলিয়ন ডলার দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দেওয়া হবে, যাতে তারা বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে, যেকোনো মূল্যে এবং যেকোনো মুদ্রায় প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন