প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জুলাই-৩৬ আবাসিক হলের এক শিক্ষার্থী কর্তৃক সহপাঠী ও রুমমেটদের আপত্তিকর ছবি তুলে প্রবাসী প্রেমিককে পাঠানোর ঘটনায় ইবি শাখা হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস সোসাইটির পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মো. মানিক হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী তুবাউল জান্নাত ঐশী সহপাঠী ও রুমমেটদের আপত্তিকর ছবি তুলে লন্ডন প্রবাসী প্রেমিককে পাঠানোর ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, যা নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে চলাচলের অধিকারের উপর মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে।
প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, মর্যাদা ও নিরাপত্তা বাংলাদেশের সংবিধান, প্রচলিত আইন ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালার মাধ্যমে সুরক্ষিত। এইভাবে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠি প্রযুক্তির অপব্যবহার করে এসব অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অতিদ্রুত এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হচ্ছে। একইসাথে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল আবাসিক হল ও শিক্ষাঙ্গনে নারীদের সার্বিক নিরাপত্তা, সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় প্রশাসনকে অবিলম্বে কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ঐশী হলে অবস্থানরত কয়েকজন ছাত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি তাদের অনুমতি ছাড়াই আবিদ নামে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী এক ব্যক্তির কাছে পাঠাতেন। সম্প্রতি, ওই ব্যক্তির সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্কের অবনতি হলে ছবিগুলোর কিছু অংশ ভুক্তভোগীদের কাছে পাঠান আবিদ। এর ফলে হলটিতে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। জানাজানি হলে হল ও প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। জরুরি সভা ডেকে সংশ্লিষ্ট ঘটনায় তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে অধ্যাপক ড. আরিফা আক্তার, সদস্য হিসেবে সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহা. খাইরুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মুহা. কামরুজ্জামানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন