প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর কস্তিয়ানতিনিভকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। মস্কো শহরটি সম্পূর্ণ দখলের দাবি করেছে, তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং দেশের জেনারেল স্টাফ এই দাবি শক্তভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
শনিবার (৪ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) একটি বার্তায় প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, "এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং রাশিয়ার আরেকটি প্রোপাগান্ডা। কস্তিয়ানতিনিভকা যদি আসলেই রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকত, তবে এই যুদ্ধ অবসানের কূটনৈতিক উপায় খুঁজতে পুতিনের আমার সাথে সেখানে দেখা করতে কোনো সমস্যা হতো না।"
এছাড়া, ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফও নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সামরিক বাহিনী শহরের ভেতর ও প্রবেশপথগুলোতে সফলভাবে প্রতিরক্ষামূলক অভিযানে নিয়োজিত রয়েছে।
অন্যদিকে, রাশিয়া ইউক্রেনের এই দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জেলেনস্কির বৈঠকের প্রস্তাবকে উপহাস করে বলেন, "কস্তিয়ানতিনিভকা ইতিমধ্যে রাশিয়ার অংশ হয়ে গেছে।" ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে জেলেনস্কিকে মস্কোতে এসে পুতিনের সঙ্গে দেখা করার পূর্ব আমন্ত্রণ স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, শহরটি এখন তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সেখানে অবশিষ্ট ইউক্রেনীয় প্রতিরোধ ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। তারা শহরে নিহত ইউক্রেনীয় সেনাদের মরদেহ হস্তান্তরের জন্য সোমবার (৬ জুলাই) একটি ৬ ঘণ্টার মানবিক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে।
এই প্রস্তাবের জবাব দেওয়ার জন্য ইউক্রেনকে রবিবার (৫ জুলাই) দুপুর (০৯:০০ জিএমটি) পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
কস্তিয়ানতিনিভকা হলো দোনেৎস্ক অঞ্চলের ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষামূলক 'দুর্গ বলয়'-এর অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই শহরটি দখল করতে পারলে রুশ বাহিনী ওই অঞ্চলের পুরো প্রতিরক্ষা বেষ্টনী ভেঙে আরো উত্তরের দিকে অগ্রসর হওয়ার বড় সুবিধা পাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন