প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের জন্য এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড় বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ববি হাজ্জাজ।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করবে, ঠিক তেমনই ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। নতুন প্রজন্মকে জাতীয় ইতিহাসের এসব গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান করা প্রয়োজন। এজন্য ইতিহাসচর্চা ও পাঠ্যবইয়ে যথাযথ আলোচনা নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আয়োজনে বার্ষিক সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস কোন নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর ইতিহাস নয়; এটি আমাদের দেশের, আমাদের জাতির এবং আমাদের পরিচয়ের ইতিহাস। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একজন বাংলাদেশির প্রথম পরিচয় বাংলাদেশ। তাই প্রত্যেক নাগরিকের নিজের দেশ, দেশের জন্ম, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানা উচিত। নতুন প্রজন্ম যেন দেশের ইতিহাস সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্তানদের ভালোবাসা ও সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের শারীরিক এবং মানসিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। অতিরিক্ত সুরক্ষার নামে শিশুদের স্বাভাবিক খেলাধুলা, বাইরের পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং স্বাধীনভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ সীমিত করা উচিত নয়। শিশুদের সুস্থ বিকাশের জন্য খেলাধুলা, প্রকৃতির সংস্পর্শ এবং সামাজিক পরিবেশের সঙ্গে মেলামেশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সন্তানদের ভবিষ্যৎ গঠনে অভিভাবকদের পাশাপাশি শিক্ষকদেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও নিজস্ব চিন্তার বিকাশে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। এ সময় কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন