প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রায় তিন দশক পর ভারতীয় হকি এক বিরল ও হতাশাজনক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে যাচ্ছে। ২৮ বছর পরে, প্রথমবারের মতো কোনো ভারতীয় আম্পায়ার ছাড়া অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হকি বিশ্বকাপের আসর।
সবশেষ ১৯৯৮ সালে নেদারল্যান্ডসে আয়োজিত বিশ্বকাপে ভারত থেকে কোনো আম্পায়ার ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন না।
আগামী ১৪ আগস্ট নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামের যৌথ আয়োজনে হকি বিশ্বকাপের ১৬তম আসরের পর্দা উঠছে। টুর্নামেন্টের পুল ‘ডি’-তে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হবে ভারত। ১৫ আগস্ট ওয়েলসের বিপক্ষে ম্যাচের মাধ্যমে নিজেদের অভিযান শুরু করবে তারা।
হকির পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৯০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রায় সকল বিশ্বকাপেই অন্তত একজন ভারতীয় আম্পায়ারের উপস্থিতি ছিল। ব্যতিক্রমী ছিল কেবল ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপটি, যা কাকতালীয়ভাবে নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবারও আয়োজক হিসেবে ডাচদের নাম থাকার আসরে ভারত আম্পায়ারিং প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন (এফআইএইচ) ঘোষিত ১৬ সদস্যের আম্পায়ারিং প্যানেলে প্রধানত ইউরোপীয় আম্পায়ারদের দাপটই দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ ও আন্তর্জাতিক প্যানেলভুক্ত আম্পায়ারের ঘাটতিই ভারতকে এই সম্মান থেকে বঞ্চিত করেছে।
আধুনিক হকির ইতিহাসে মাত্র চারজন ভারতীয় আম্পায়ার বিশ্বকাপের মঞ্চে ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছেন—অমরজিত সিং বাওয়া (১৯৯০), তারলক সিং ভুলার (১৯৯৪), সতীন্দর শর্মা (২০০২, ২০০৬ ও ২০১০) এবং রঘু প্রসাদ (২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৩)।
এদের মধ্যে এশিয়ার প্রথম আম্পায়ার হিসেবে ২০০টি আন্তর্জাতিক হকি ম্যাচ পরিচালনার অত্যাধুনিক কীর্তি গড়ে গত বছর বাঁশি তুলে রাখেন রঘু প্রসাদ। তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের অবসানের পর ভারতের হকি আম্পায়ারিং অঙ্গনে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে, যার মাশুল এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে গুনতে হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন