প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গুলির ঘটনার কারণে গত এপ্রিলে স্থগিত হওয়া হোয়াইট হাউস সংবাদদাতা সমিতির (ডব্লিউজিএ) নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে তিনি সংবাদমাধ্যম নিয়ে রসিকতা করেছেন এবং সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যদের প্রশংসা করেছেন।
ওয়াশিংটনে তিন ভাইসুদের উদ্যোগে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উদ্যাপন ও সাংবাদিকতা শিক্ষার জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে এই নৈশভোজের আয়োজন করে হোয়াইট হাউস সংবাদদাতা সমিতি। ট্রাম্প বক্তব্যের শুরুতে কিছু হালকা রসিকতা করেছিলেন, কিন্তু পরে তিনি যেসব সংবাদমাধ্যমকে ‘ভুয়া সংবাদমাধ্যম’ বলে অভিহিত করেন, সেগুলোর সমালোচনা করেন। সাংবাদিক ডন লেমন, লরেন্স ও'ডনেল, রাজনীতিক ক্রিস ক্রিস্টি, অ্যাডাম শিফ, এবং তারকা ব্রুস স্প্রিংস্টিন ও জেন ফন্ডাকেও তিনি কটাক্ষ করেন।
ট্রাম্প বলেন, আগের অনুষ্ঠানে তিনি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে আরো কঠোর সমালোচনা করতে চেয়েছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, 'এই কক্ষে সম্ভবত ট্রাম্পকে সবচেয়ে বেশি অপছন্দ করেন এমন মানুষই একসঙ্গে বসে আছেন। আগের নৈশভোজ মাঝপথে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আপনাদের কেউ কেউ ভাগ্যবান ছিলেন। কারণ, তখন আমি আপনাদের আরো কঠোরভাবে সমালোচনা করতে যাচ্ছিলাম।' প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটি ছিল ট্রাম্পের প্রথম হোয়াইট হাউস সংবাদদাতা সমিতির নৈশভোজে অংশগ্রহণ। আগের মেয়াদে তিনি অনুষ্ঠানে আসেননি। তবে এবার তিনি আগামী বছরও অংশগ্রহণের ইচ্ছার কথা জানান।
ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েনের অস্তিত্ব রয়েছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের অভিযোগ হলো, ট্রাম্প প্রশাসন একাধিক সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে মামলা করেছে, কিছু সাংবাদিকের হোয়াইট হাউসে প্রবেশ সীমিত করেছে এবং সম্প্রচারমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হুমকি দিয়েছে। তবে এ সব অভিযোগ অস্বীকার করে ট্রাম্প বলেছেন, তার প্রশাসন সংবাদমাধ্যমের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কাজ করছে এবং পক্ষপাত দূর করার চেষ্টা চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন