প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এইচএসসি পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের প্রশ্নের ত্রুটি ও অসঙ্গতির ঘটনায় সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চার শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করেছে।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াছমীনের সই করা এক নোটিশে সোমবার (১৪ জুলাই) এ তথ্য জানানো হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথমপত্রের সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে গুরুতর ত্রুটি ও অসঙ্গতি দেখা গেছে। এ ধরনের ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্নের ফলে পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীরা চরম মানসিক চাপের সম্মুখীন হয়েছেন।
এতে আরও বলা হয়েছে, একজন দায়িত্বশীল শিক্ষক এবং প্রশ্নপত্র পরিশোধকের কাছ থেকে এমন ভুলের প্রত্যাশা করা হয় না। প্রশ্নপত্রের মধ্যে এ ধরনের ত্রুটি চরম দায়িত্বহীনতা ও পেশাগত কর্তব্যে অবহেলা বলে গণ্য হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনা সিলেট শিক্ষা বোর্ডের ভাবমূর্তিতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলেছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট চার শিক্ষককে প্রশ্নপত্র মডারেশনে এ ধরনের গুরুতর ত্রুটি ও অসঙ্গতির জন্য তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে কারণ দর্শাতে হবে কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
নোটিশ প্রদত্ত চার শিক্ষকের মধ্যে রয়েছেন- শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক কাজী জুনায়েদ আল আমিন, এমসি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোছাদ্দেক হোসেন খান এবং সিলেট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
এর আগে পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ত্রুটির অভিযোগ ওঠার পর বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনা করার কথা জানায়।
শিক্ষা বোর্ড জানায়, অভিযোগ যদি সত্যি হয়, তাহলে প্রচলিত মূল্যায়ন নীতিমালা অনুযায়ী পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া শিক্ষামন্ত্রী আজ সংসদে ওই দুটি প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর সব শিক্ষার্থীদের দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন