প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোঃ আজিম হাওলাদার (৩১) অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) দ্বারা। এটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাত ১০ টার দিকে একটি যৌথ অভিযানের মাধ্যমে ঢাকা কেরানিগঞ্জ এলাকা থেকে। গ্রেপ্তারকৃত আজিম ভাণ্ডারিয়া থানার উত্তর শিয়ালকাঠি গ্রামের মোঃ ইসলাম ওরফে ইসমাইলের ছেলে।
র্যাব জানায়, তাদের কাছে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮, সিপিএসসি, বরিশাল এবং র্যাব-১০, সদর কোম্পানী, কেরানীগঞ্জের একটি চৌকস আভিযানিক দল ঢাকার কেরানিগঞ্জ এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এর ফলে তারা আজিমকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, আজিম হাওলাদারের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ১৭ মে ভাণ্ডারিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী-২০০৩) এর ৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল (মামলা নং-১০, জিআর নং-৭২/২০০৮)। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত মামলাটির দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ার কারণে তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
সাজা ঘোষণার পর থেকেই আসামি আজিম চতুরতার সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে আসছিল। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে সেটি কার্যকর করার জন্য ভাণ্ডারিয়া থানায় পাঠানো হয়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকলেও র্যাব-৮ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত করে এই সফল অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রথমে ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।
সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, সাজাপ্রাপ্ত আসামি আজিমকে ইতিমধ্যেই ভাণ্ডারিয়ায় আনা হয়েছে। বর্তমানে তাকে আদালতে সোপর্দ করার আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন